Date : 2022-05-27

পুরসভার খরচ কমাতে অধিকারীদের ফোনের বিলে কোপ, নির্দেশিকা জারি করলেন পুর কমিশনার বিনোদ কুমার

ষষ্ঠী চট্টোপাধ্যায়, রিপোর্টার:- কলকাতা পৌর সংস্থার পক্ষ থেকে কিছু দিন আগেই এম্বার্গো জারি করে খরচ কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এবার পৌর আধিকারিক দের ফোনের বিলের উপরে কোপ পৌর কর্তৃপক্ষের। কলকাতা পৌর সংস্থার কর্মরত সমস্ত উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা দের থেকে নিয়ে আধিকারিক পর্যন্ত , তাদের ফোনের বাবদ বিল কমানো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফলে মাসে ফোনের বিল বাবদ ৫০০ থেকে ১২০০ টাকা বরাদ্দ ছিল। সেটা একেবারে কমিয়ে দিয়ে প্রতিমাসে ২৫০ টাকা করে দেওয়া হল। চিফ ম্যানেজার থেকে নিয়ে ডেপুটি ম্যানেজার, এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার থেকে নিয়ে ডেপুটি ইঞ্জিনিয়ার বা সব অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার ফোনের বিল কমানোর সিদ্ধান্ত নিল কলকাতা পৌর সংস্থা। সামনে মাস থেকেই এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে বলে পৌর সংস্থার সূত্রের খবর। উল্লেখ্য যে বিভিন্ন ধাপে পৌর আধিকারিকদের ফোন বিল দেওয়া হত। যেমন চিফ ম্যানেজার মাসে ফোন বাবদ ১২০০ টাকা পেতেন। ডেপুটি ম্যানেজার পেতেন ১০০০ টাকা, এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার রা পেতেন ৭০০ টাকা, অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার পেতেন ৬০০এবং সব অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার ফোন বিল বাবদ পেতেন ৫০০ টাকা। পৌর সংস্থার সূত্রের খবর যে এতদিন আধিকারিকরা ফোনে বিলের আলাদা করে টাকা চেকে পেতেন। কিন্তু পৌর কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত যে এবার থেকে তাদের বেতনের সঙ্গে ফোন বিলের টাকা যুক্ত করে দেওয়া হবে। শুধু তাই নয় এবার থেকে ল্যান্ডলাইন ফোনে ও সরিয়ে দিতে চান পৌর কর্তৃপক্ষ। যার জন্য কোন বিভাগে কতগুলি ল্যান্ডলাইন ফোন রয়েছে। তার একটা তালিকা তৈরি করতে নির্দেশ দিয়েছে পৌর কর্তৃপক্ষ বলে সূত্রের খবর। জানা গেছে যে ইতিমধ্যে পৌর সংস্থার টেলিফোন বিভাগ সেই তালিকা তৈরি করে ফেলেছে। মনে করা হচ্ছে যে পৌর সংস্থার ঘাটতি মেটাতে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করছেন তারা। আধিকারিক দের ফোনের বিলের কোপ তারই একটা অংশ বলে মনে করা হচ্ছে। তবে ফোন কোপ পোড়ায় আতঙ্কিত পৌর আধিকারিক দের থেকে নিয়ে কর্মীরা। তাদের প্রশ্ন এবার তাদের বেতনে কোপ পড়বে না তো? তবে পৌর প্রশাসনের দাবি যে কভিদ পরিস্তিতির কারণে পৌর সংস্থা কে অতিরিক্ত খরচ করতে হয়েছে। ফলে কোষাগারে তার একটা প্রভাব অবশ্যই পড়েছে। ফলে পরিস্তিতি একটু উন্নত হলে এবং কোষাগারে আর্থিক বৃদ্ধি হলেই সব কিছু আগের মত ঠিক হয়ে যাবে বলে ধারণা কলকাতা পৌর সংস্থার কর্তৃপক্ষের।
এভাবে জোড়া তালি মেরে মহানগরীর পরিবেসেবা কতদিন দিতে পারবে পৌরসভা তা নিয়ে প্রশ্ন পুর আন্দরেই।