Date : 2022-10-02

আতঙ্ক বাড়ছে চিনে

পৌষালী সেনগুপ্ত, নিউজ ডেস্ক : দুই বছর পর ফের চিনেই দাপাচ্ছে করোনা। সেদেশে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা ২০ হাজার পার করেছে, যা করোনা সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর সর্বোচ্চ আক্রান্ত। সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ার পরই একাধিক রাজ্যে লকডাউন জারি করা হয়েছে। বন্ধ হয়ে গিয়েছে সুপার মার্কেট। যে সমস্ত জায়গায় লকডাউন জারি হয়েছে, সেখানে খাবার ডেলিভারিও বন্ধ হয়ে গিয়েছে। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, করোনা পরীক্ষা শেষ না হওয়া অবধি লকডাউন জারি থাকবে।চিনের সবথেকে বড় আর্থিক ভরকেন্দ্র সাংহাইতেও লকডাউন জারি করা হয়েছে। ২ কোটি ৬০ লক্ষ মানুষ পুরোপুরি গৃহবন্দি করা হয়েছে। এদিকে, লকডাউন ঘোষণার পরই গোটা শহর জুড়়ে হুড়োহুড়ি শুরু হয়েছে।

আগামীদিনে খাদ্য সঙ্কট দেখা দিতে পারে, এই আশঙ্কায় আগে থেকেই খাবার মজুত করতে শুরু করেছেন সকলে।প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, করোনা সংক্রমণ না কমা অবধি এবং গোটা প্রদেশের সকলের করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট না পাওয়া অবধি কোনওভাবেই বিধিনিষেধ শিথিল করা যাবে না। তবে বিগত দুই সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে গৃহবন্দি থাকার কারণে সাধারণ মানুষ ধৈর্য্য হারাচ্ছেন। একদিকে যেমন করোনা পরীক্ষা নিয়ে কড়াকড়ি জারি করা হচ্ছে, তেমনই আবার খাবার সহ অন্যান্য অত্যাবশ্যকীয় পণ্যেরও সমস্যা দেখা দিয়েছে।যত সময় গড়াচ্ছে পরিস্থিতি ততই জটিল হচ্ছে চিনে। সংক্রমণ রোধে লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। কিন্তু তাতেও সংক্রমণ কমছে না। আবার লকডাউনের জেরে খাদ্যের সংকট দেখা দেওয়ার আশঙ্কা তৈরী হয়েছে চিনে। কারণ আতঙ্ক থেকেই মানুষ আগাম সংরক্ষণ করছেন সবকিছু।পাশাপাশি লকডাউনের জেরে কাজ হারানোর আশঙ্কাতেও ভুগছেন চিনের মানুষ।ফলে সব মিলিয়ে পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল থেকে জটিলতর হচ্ছে চিনে।