Date : 2022-09-27

মামলাই সার! সরকারি কর্মচারীদের DA বাকি নেই হলফনামায় দাবি রাজ্য সরকারের

ষষ্ঠী চট্টোপাধ্যায়, সাংবাদিক :

এ যেন অধিকারের লড়াই রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের মহার্ঘ ভাতা পাওয়ার অধিকার রয়েছে শুরু হয় মামলার পর মামলা। মামলা পর মামলা থেমে নেই রাজ্য সরকারি কর্মচারী, থেমে নেই রাজ্য সরকারও! রাজ্যে স্টেট অ্যাডমিনিস্ট্রেটিরি ট্রাইমুনাল থেকে কলকাতা হাইকোর্ট ২০১৯ সাল থেকে চলছে মামলা। রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা তাদের মহার্ঘ ভাতা পাবেন কিনা তাদের সেটা সাংবিধানিক অধিকার কিনা! লড়াই আজও জারি রয়েছে

মঙ্গলবার রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের মহার্ঘ ভাতা মামলার শুনানি না থাকলেও দুর্গাপূজা অনুদান সংক্রান্ত মামলা রাজ্য সরকার কোনো ডি এ বাকি নেই । বাজেট ঠিক হবার পর ও তা খরচ এর অধিকার সরকারের থাকে বলে হাইকোর্টে জড়ালে দাবি করেন রাজ্যের এডভোকেট জেনারেল সৌমেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় ।

রাজ্য সরকারের জমা দেওয়া ফলকনামা ঠিক কি রয়েছে দেখে নেওয়া যাক এক নজরে

রাজ্যের কাছে কোনও মহার্ঘ ভাতা (DA) বকেয়া নেই। সেই জন্যই আদালতে রায়ের পুনর্বিবেচনার আর্জি জানানো হয়েছে। সেই মামলা এখন বিচারাধীন। তাই আদালতের নির্দেশের পরে রাজ্য তার কর্মীদের মহার্ঘ ভাতা দেওয়ার ব্যাপারে উদাসীন, এই বক্তব্য যুক্তিসঙ্গত নয়।
কর্মীদের মহার্ঘ ভাতা এবং পুজোর অনুদান দু’টি সম্পূর্ণ আলাদা বিষয়। দু’টিকে এক ছাতার তলায় নিয়ে এসে অভিযোগ করা যায় না।
রাজ্য সরকার পুজা কমিটিগুলোকে বিদ্যুৎ বিলে কোনও ছাড় দিচ্ছে না।
মামলার গ্রহণযোগ্যতা নেই। অবিলম্বে বিপুল আর্থিক জরিমানা করে মামলা খারিজ করা উচিত।
এই মামলা করার কোনও গ্রহণযোগ্য অবস্থান মামলাকারীর নেই।
পুজো সংক্রান্ত অনুদানের জন্য ২০১৮ সাল থেকেই ‘পুলিশ’ অনুশীর্ষে (Sub Head) অর্থ বরাদ্দ করা হচ্ছে।

সংবিধান অনুযায়ী রাজ্য সরকার মনে করলে জনগণের জন্য অর্থ বরাদ্দ করতে পারে। এতে কোনও বাধা নেই।
ইউনেস্কোর তরফ থেকে দুর্গাপুজোকে হেরিটেজ তকমা দেওয়া হয়েছে। এটা রাজ্যের সঙ্গে সঙ্গে দেশের জন্যও গর্বের বিষয়।
সংবিধানের ৫১(ক) ধারা অনুযায়ী, হেরিটেজ রক্ষা করার দায়িত্ব দেশের প্রত্যেক নাগরিকের রয়েছে। রাজ্য সরকারের কাছে প্রত্যাশা করা হয় যেন তারা এগুলিকে সংরক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ করে।
দুর্গাপুজোর দিনগুলিতে উৎসবকে মসৃণ ভাবে পরিচালনা করার জন্য এই অর্থ বরাদ্দ করা হয়। কোনও নির্দিষ্ট সম্প্রদায়কে উৎসাহিত করার জন্য এই অর্থ বরাদ্দ হয় না।

প্রধান বিচারপতি ডিভিশন মেনেছে সেদিন শুনানিতে আবেদনকারী আইনজীবী সমিক বাগচী জানান স্থগিত করা হোক অনুদান দেয়ার কাজ ।এটা জনগণের টাকা ।নয়ছয় বন্ধ হোক ।
রাজ্যের এডভোকেট জেনারেল সৌমেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় জানান ২০২১ এর ২৫ সেপ্টেম্বর রাজ্য সরকার শেষ বিজ্ঞপ্তি জারি করে
২৭ আগস্ট মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করে অনুদান দেবার কথা কিন্তু এখন ও কোনো বিজ্ঞপ্তি জারি হয়নি ।

আবেদনকারী আইনজীবী বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য: রাজস্ব থেকে পূজা কমিটিদের টাকা দেয়া হচ্ছে ।প্রায় ফ্রী বিদ্যুৎ দেয়া হচ্ছে ।এই বিদ্যুতের বিল ঘুরপথে সাধারণ মানুষের থেকেই বিল হিসাবে নেবে ।
তাছাড়া প্রথম অনুদান এর সময় সরকার বলেছিল সেভ ড্রাইভ সেফ লাইফ এর জন্য টাকা দেয়া হচ্ছে ।পরের দুই বছর COVID এর জন্য টাকা দেয়া হচ্ছে বলা হয় ।এবছর কিছু বললেন না ।বাজেটে ঘোষিত ছাড়া সরকার এক পয়সাও খরচ করতে পারে না ।গত বছর আদলত জানিয়েছিল অনুদানের টাকা জনসর্থে ব্যাবহার করতে হবে ।অর্থাৎ মাস্ক স্যানিটাইজার ইত্যাদি। রাজ্য বলছে এখনো বিজ্ঞপ্তি জারি হয়নি ।কিন্তু আমার কাছে তথ্য প্রমাণ আছে যে পলিশ ক্লাব গুলোকে ফোন করে ডেকে টাকা দিচ্ছে।

রাজ্য: যে কর্মের র বিজ্ঞপ্তি জারি হলো না টা নিয়ে মামলা হলো। আগামীকাল মামলার পরবর্তী শুনানি।