Date : 2022-12-06

এবার টেট বনাম টেট আন্দোলন

নাজিয়া রহমান, সাংবাদিক : একদিকে চাকরির দাবিতে অনশন ২০১৪র প্রাথমিকের টেট পাস চাকুরিপ্রার্থীদের। আর অন্যদিকে ২০ ১৪র বিরোধীতায় পথে ২০১৭র টেট পাশ চাকুরিপ্রার্থীরা। চাকুরিপ্রার্থীদের আন্দোলনকে ঘিরে সরগরম সল্টলেক চত্ত্বর।

এ যেন টেট বনাম টেট আন্দোলন। গত কয়েকদিন ধরে করুণাময়ীতে আন্দোলনে বসেছেন ২০১৪ প্রাথমিক টেট উর্তীর্ন চাকরিপ্রার্থীরা। তাদের দাবি তাদের চাকরির নিয়োগপত্র দিতে হবে। চলতি মাসের ২১ অক্টোবর থেকে যে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করতে চলেছে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। সেই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় তারা অংশগ্রহণ করবেন না। কারণ ইতিমধ্যেই তারা দুবার ইন্টারভিউ দিয়েছেন। অন্যদিকে ২০১৪ র চাকরিপ্রার্থীদের দাবির বিরোধিতা জানিয়ে পাল্টা আন্দোলনে সামিল হল ২০১৭ টেট পাস চাকরিপ্রার্থীরা। বৃহস্পতিবার সল্টলেক-এর সেক্টর ফাইভ মেট্রো স্টেশন থেকে বেরিয়ে এপিসি ভবনের দিকে যান তারা। পুলিশ তাদের প্রথমে বাধা দিলেও পরে তাদের আন্দোলনের অনুমতি দেয়। ১০ নম্বর ট্যাঙ্কের কাছে তারা আন্দোলনে সামিল। তাঁদের দাবি, ২০১৪-র প্রার্থীরা যে দাবি করছে তা ন্যায্য নয়। সবচেয়ে বেশি বঞ্চিত হয়েছে ২০১৭-র টেট উর্তীর্ন প্রার্থীরা।

যদিও এই চাপের মুখে নতিস্বীকারে নারাজ প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। নিয়ম অনুযায়ী চাকুরি পেতে গেলে ইন্টারভিউ -এ বসতে হবে। ২০১৪ র টেট পাশ চাকুরিপ্রার্থীদের উদ্দেশ্যে পর্ষদ সভাপতির বক্তব্য, “আইন পরিবর্তন করলেও এরা যে সবাই চাকুরি পাবেন তার কোনও নিশ্চয়তা নেই।”

টেট পাশ চাকুরিপ্রার্থীদের আন্দোলনকে ঘিরে সরগরম সল্টলেক চত্ত্বর। একদিকে পর্ষদের মূখ্য কার্যালয়ের ঢিল ছোঁড়া দূরত্বে বসে চাকরির দাবিতে আন্দোলন চালাচ্ছেন ২০১৪ র টেট পাশ চাকরিপ্রার্থীরা। আর অন্যদিকে ২০১৪ র থেকে প্রায় ৩০০ মিটার দূরে আন্দোলনে সামিল ২০১৭ র প্রাথমিক টেট পাস চাকুরিপ্রার্থীরা। ২১অক্টোবর নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি করতে চলেছে পর্ষদ। বিজ্ঞপ্তি জারিতে কোনও রকম বাধা আসলে আন্দোলন আরও জোরদার হবে বলে হুঁশিয়ারি ২০১৭র টেট পাশ চাকুরিপ্রার্থীদের।