Date : 2022-12-06

তিনি যেন কড়া দিদিমনি।‌ মঞ্চ থেকেই নেতাদের আসন দেখালেন মহুয়া।

সঞ্জু সুর,সাংবাদিকঃ- “জেলা পরিষদের আসনে শুধু তারাই বসবেন যারা জেলা পরিষদের সদস্য। অন্য কেউ বসবেন না”, “কোনো তর্ক করবেন না। স্টিকার দেওয়া আছে সেই স্টিকার দেখে বসুন”, “প্রসেনজিৎ তুমি পিছনে গিয়ে বসো।” ঠিক এইভাবেই দলের নেতাদের বসার আসন চিনিয়ে দিয়ে ভিড় সামলালেন কৃষ্ণনগরের তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র।

তৃণমূল সুপ্রিমো তথা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক কর্মিসভা কৃষ্ণনগর কলেজ ময়দানে। সকাল থেকেই মঞ্চের দায়িত্বে মহুয়া। কোথায় কে বসবেন, কোথায় পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য বা গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য বসবেন, কোন দিকে ব্লক সভাপতিরা বসবেন, কোন দিক দিয়ে মিছিল আসবে সব কিছুই মাইক হাতে নির্দেশ দিচ্ছিলেন কৃষ্ণনগরের সাংসদ।

পুলিশ কে নির্দেশ দিচ্ছিলেন “আগে সামনের দিকের ব্লকগুলো ভরান।” মিছিল করে যারা আসছিলেন তাদের উদ্দেশ্যে নির্দেশ, “কেউ দৌড়াবেন না। ধূলো ওড়াবেন না। সবাই বসে পড়ুন।” “মহিলাদের জায়গায় অন্য কেউ ঢুকবেন না।” কখনও আবার দলের মহিলা নেত্রী শেফালিকে বললেন, “এই শেফালি তোমরাও একটু যাও না। দেখছো তো আমি একাই করছি সবকিছু।” এ তো গেল মঞ্চের সামনের কথা। তৃণমূল সাংসদ, বিধায়করা যখন মঞ্চে উঠছেন তখন তাঁরাও কোন আসনে বসবেন সেটাও ঠিক করে জানিয়ে দিচ্ছিলেন তিনি। মহুয়া মৈত্র তখন আক্ষরিক অর্থেই স্কুলের কড়া দিদিমনি।