Date : 2024-04-18

এ বার কি ‘দুয়ারে মোবাইল প্রকল্প চালু করতে হবে? সরকারি আইনজীবীর কাছে জানতে চাইলেন বিচারপতি।

ষষ্ঠী চট্টোপাধ্যায়, সাংবাদিক ঃ পশ্চিমবঙ্গ সমগ্র শিক্ষা মিশন প্রকল্পের তথ্য অ্যাপের মাধ্যমে আপলোড করা প্রসঙ্গে বলল কলকাতা হাই কোর্ট। বুধবার রাজ্যকে বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসুর নির্দেশ, অ্যাপের পরিবর্তে ওয়েবসাইটে তথ্য আপলোড করার ব্যবস্থা করা যায় কি না, তা খতিয়ে দেখতে হবে। এবং এটা যাতে সম্ভব হয় সেই ব্যবস্থা করতে বলে আদালত।

রাজ্যের শিক্ষা দফতর সমগ্র শিক্ষা মিশনের আওতায় ‘বাংলার শিক্ষা’ নামে একটি প্রকল্প চালু করেছে। এই প্রকল্পের অধীনে রাজ্যের বিভিন্ন ব্লকে ১৮ বছর বয়স পর্যন্ত শিশুদের পড়াশোনার হাল খতিয়ে দেখার দায়িত্ব রয়েছে পার্শ্বশিক্ষকদের উপর। এই সব তথ্য সংগ্রহ করে সরকারের কাছে জমা দিত হত এই শিক্ষকদের।

মামলকারী দীপ্তাংশু বিশ্বনাথ দাসের আইনজীবীর দাবি, আগে এই সব তথ্য অফলাইনে জমা দেওয়ার ব্যবস্থা ছিল। গত বছর থেকে তা চাইল্ড রেজিস্টার অ্যাপের মাধ্যমে হয়ে যায়। ফোন না থাকার কারণে এই কাজ করা যাচ্ছে না।

এই যুক্তি শুনে বিচারপতি বসু বলেন, “অনেক প্রকল্পই তো আছে। এ বার কি তা হলে দুয়ারে মোবাইল প্রকল্প নিয়ে আসতে বলব সরকারকে?”

আইনজীবী জানান, মামলকারীর বেতন মাত্র ১২ হাজার টাকা। তাই মোবাইল কেনার ক্ষমতা তাঁর নেই। তা ছাড়া ৫১ বছর বয়সে তিনি এই সব তথ্য আপলোড করতে স্বচ্ছন্দ নন।

বিচারপতি বসু: সময়ের সঙ্গে নিজেকে উন্নীত করা প্রয়োজন। যাই হোক, রাজ্যকে বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হবে।

বিচারপতি বসু জানান, এমন সমস্যায় অনেক শিক্ষকই পড়তে পারেন। তাই এ বিষয়ে কী পদক্ষেপ করা যায় আগামী শুনানিতে রাজ্য তা জানাবে।