Date : 2024-04-14

ফের কেন্দ্রের পুরস্কার পেল রাজ্য। এবার স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে।

সঞ্জু সুর, সাংবাদিক : যক্ষা নিবারণে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করার জন্য স্বর্ণ পদক পেল আলিপুরদুয়ার জেলা। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দফতরের পক্ষ থেকে শুক্রবার এই পুরস্কার ঘোষণা করা হয়।

একশো দিনের কাজ সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বকেয়া বন্ধ করা নিয়ে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে তোপ দেগে ধরনায় বসতে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ২৯ ও ৩০ মার্চ কলকাতার রেড রোডে যখন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ধরণায় বসবেন সেই সময় শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস‌ও সারা রাজ্য জুড়ে ব্লকে ব্লকে ধরণায় বসবে কেন্দ্রীয় বঞ্চনার প্রতিবাদে। এদিকে রাজ্য বিজেপির পক্ষ থেকে বারবার দাবি করা হয়েছে যে কেন্দ্রের টাকায় নিজেদের নাম কিনতে চায় শাসকদল, তাই কেন্দ্রের বরাদ্দ বন্ধ করা সঠিক কাজ। কিন্তু এই আবহের মধ্যেও রাজ্যের একের পর এক প্রকল্প বা কর্মসূচি অথবা রাজ্যের বিভিন্ন জেলাগুলো কেন্দ্রের পুরস্কার ছিনিয়ে আনছে, যা আদতে রাজ্যের কাজে কেন্দ্রের স্বীকৃতি বলেই মনে করছেন নবান্নের আমলারা। ‘সমগ্র শিক্ষা মিশন’- এ বাঁকুড়া জেলা যখন প্রধানমন্ত্রী পুরস্কার পাওয়ার তালিকায় তখনই রাজ্যের আরেকটি জেলা স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য সোনার পদক পেল। শুক্রবার বারানসিতে এই ঘোষণা করা হয়েছে।

যক্ষা নিরাময়ের ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখার জন্য আলিপুরদুয়ার জেলাকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দফতরের মাননীয় মন্ত্রী মনসূখ মান্ড্যবিয়া ও বিভাগীয় সচিব রাজেশ ভূষণ এর সাক্ষরিত শংসাপত্র দেওয়া হয়েছে আলিপুরদুয়ার জেলা প্রশাসনকে। ২০১৫ সালে যেখানে এই জেলায় প্রতি এক লক্ষ মানুষের মধ্যে ৬৮৯ জনের যক্ষা ধরা পড়েছিলো, সেই সংখ্যা ৬০ শতাংশ কমাতে পেরেছে এই জেলা। ওয়ার্ল্ড থেল্থ অর্গানাইজেশন (WHO) এবং আইসিএম‌আর (ICMR) এর যৌথ সার্ভে রিপোর্টের ভিত্তিতেই আলিপুরদুয়ার জেলাকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়েছে, যা শুধু আলিপুরদুয়ার জেলা নয়, রাজ্যের কাছেও গর্বের বিষয়। পুরস্কার এর বিষয়ে আলিপুরদুয়ার এর জেলাশাসক জানান, “কেন্দ্র সরকারের থেকে পাওয়া এই পুরস্কারের জন্য জেলার সমস্ত স্বাস্থ্য কর্মি সহ জেলা প্রশাসনের কর্মিদের ধন্যবাদ জানাই। মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে ও প্রচেষ্টার কারণেই এই সাফল্য পাওয়া সম্ভব হয়েছে।”