Date : 2024-07-16

এসি ছাড়া ঘর ঠান্ডা!

সঞ্জনা লাহিড়ী, সাংবাদিক- গ্রীষ্মের দিনে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে তাপমাত্রা সঙ্গে রয়েছে তাপপ্রবাহ। দুর্বিসহ গরমে ফ্যানের হাওয়াও গরম। গরম থেকে স্বস্তি পেতে এসির দিকেই ছুটছে মানুষ। সর্বক্ষণ এসিতে থাকা শরীরের পক্ষে যথেষ্ট ক্ষতিকর বলেই মনে করছেন চিকিৎসকরা। যাঁদের ঘরের দেওয়ালের রং হালকা বা সিলিংয়ের রঙ সাদা তাঁদের ঘর অপেক্ষাকৃত ঠান্ডা থাকে। আবার ঘরের পশ্চিম দিকে জানলা বা বারান্দা থাকলে সূর্যের তাপ ঘরে ঢোকে বেশি। আজ যে বিষয় গুলো নিয়ে আলোচনা করা হবে তা অনেকাংশেই প্রমাণিত।

১) সকাল ১১টার পর থেকে জানলা বন্ধ করে পর্দা টেনে দিতে হবে। সকালের মিঠে রোদের মেয়াদ বেশিক্ষণ নয়। তাই ঘড়ির কাঁটা এগারোটা ছাড়ালে জানলা বন্ধ করে পরদা টেনে দিন। জানলায় ব্লাইন্ডস থাকলে তাও বন্ধ করে দিতে হবে। এরফলে ঘরে সূর্যের তাপ কম ঢুকবে। পর্দা টেনে ফ্যান চালালে অনেকটা আরাম পাওয়া যাবে। সন্ধের দিকে জানলা খুলে দিলে হাওয়া বাতাস খেলতে পারবে।

২) সিল্ক বা সার্টিনের বদলে সুতি বা লিনেনের পর্দা লাগানো দরকার। শুধু পর্দা নয় ঘরের বেড শিটও সুতি বা লিনেনের ব্যবহার করা ভাল। পর্দা, বেড শিট হালকা রঙের হলে সূর্যের তাপ প্রতিফলিত করে ফলে ঘর ঠান্ডা থাকে। হালকা রঙের চাদর, পর্দা ময়লা হয় তাড়াতাড়ি। তাই তা পরিস্কার রাখা জরুরী।

৩) আলোময় ঘরের তুলনায় আলো-আঁধারি ঘর বেশি ঠান্ডা হয়। তাই যতোটা সম্ভব ঘর অন্ধকার রাখলে তা ঠান্ডা থাকবে। যাঁরা পড়াশুনো করেন বা কম্পিউটারে কাজ করেন তাঁরা টেবিল ল্যাম্প জ্বালিয়ে কাজ করতে পারেন। টিউব লাইটের বদলে এলইডি বাল্ব বা সিএফএল ল্যাম্প জ্বালালে ঘর ঠান্ডা থাকবে।

৪) গরম কমাতে ঘরের মধ্যে গাছ রাখা ভাল। ঘরে গাছ থাকলে দেখতে সুন্দর লাগে আবার সূর্যের তাপ শোষণের ফলে ঘর ঠান্ডা থাকে। মানিপ্ল্যান্ট, অ্যালোভেরা, স্নেক প্লান্ট, অ্যারিকা পাম ঘরে দেখতে বেশ সুন্দর লাগে। অনেকের ফুলের পরাগ রেণুতে অ্যালার্জি থাকে তাঁরা অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে নেবেন।

৫) রান্না করার সময় রান্না ঘর গরম হয়ে যায়। তাই রান্না করার সময় এগজস্ট ফ্যান চালু রাখলে গুমোট হয়ে যায় না। গরমের দিনে সকাল সকাল রান্না সেরে ফেললে ভাল হয়।
৬) ঘর, জানলার পাল্লা দিনে বার কয়েক জল-ন্যাতা দিয়ে মুছে ফ্যান চালিয়ে দিতে হবে। এরপর পর্দা টেনে জানলা বন্ধ করে দিলে ঘর ঠান্ডা থাকবে।