Date : 2024-05-21

ছিল খাল। মাসখানেক তা বদলে গেল বাস্তু জমিতে। যার পোশাকি নাম হোম স্টে। খাস কলকাতার ঘটনা। এমন অভিযোগ শুনে রীতিমতো বিস্মিত ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ।

ছিল খাল। মাসখানেক তা বদলে গেল বাস্তু জমিতে। যার পোশাকি নাম হোম স্টে। খাস কলকাতার ঘটনা। এমন অভিযোগ শুনে রীতিমতো বিস্মিত ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ।

ষষ্ঠী চট্টোপাধ্যায়, সাংবাদিক : ঘটনায় দুই সপ্তাহের মধ্যে সংশ্লিষ্ট বি এল এন্ড এল আর ও কে রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে ডিভিশন বেঞ্চ। মঙ্গলবার মামলার শুনানিতে মামলাকারীর অভিযোগ 2022 সালের মে মাসে সরকারি তথ্য অনুযায়ী কসবা এলাকার ওই ০.৭০৬ একর জমি খাল হিসেবে নথিভুক্ত ছিল। কিন্তু ঠিক তার পরের মাস অর্থাৎ ২০২২ সালের জুন মাসে সরকারি তথ্য তেই তা বদলে দেখানো হয়েছে বাস্তু জমি।

শুধু তাই নয় ওই জমি ভরাট করার পর তা বিক্রি করা হচ্ছে বলেও মামলাকারীর অভিযোগ। মামলাটি জনস্বার্থ মামলা হিসেবে দায়ের হয়েছিল। মামলাকারীর আইনজীবীর আরো অভিযোগ ছিল, কিছু সরকারি কর্মী এবং একটি সংস্থা যোগসাজস করে খালটি ভরাট করে তা বাস্তু জমিতে রূপান্তরিত করে প্লটিং করে বিক্রি করতে চাইছে। যদিও এই মামলার গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন অভিযুক্ত সংস্থার আইনজীবী। যার প্রেক্ষিতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘যদি প্রমাণ হয় বিষয়টি জনস্বার্থের যুক্ত নয় সে ক্ষেত্রে মামলাকারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে কিন্তু একটি খাল যদি বাস্তব জমিতে সত্যিই রূপান্তরিত হয়ে থাকে তাহলে সেটিকে পুনরায় খালে পরিণত করার যথেষ্ট ক্ষমতা রয়েছে আদালতের কাছে। এবং আদালত তা করতেই পারে।’

সবশেষে বি এল এন্ড এল আর ও-র কাছে ওই খালের সমস্ত নথি সহ রিপোর্ট চেয়েছে ডিভিশন বেঞ্চ। ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশ, কিভাবে খাল থেকে এক মাসের মধ্যে ওই জমির চরিত্র বদল হলো তা জানাতে হবে। পাশাপাশি কার বা কোন নির্দেশের প্রেক্ষিতে এমনটা হয়েছে রিপোর্টে তাও উল্লেখ করতে হবে।

আগামী ২০ মে মামলার পরবর্তী শুনানি।