Date : 2024-05-28

কালিয়াগঞ্জের যুবক মৃত্যুঞ্জয় বর্মণের মৃত্যুর ঘটনা মামলাতে ম্যাজিস্ট্রেট পর্যায় এর তদন্তের নির্দেশ।

ষষ্ঠী চট্টোপাধ্যায়, সাংবাদিক : পুলিশের গুলিতেই মৃত্যু হয়েছে মৃত্যুঞ্জয় বর্মণের। রাজ্যের বক্তব্যের প্রেক্ষিতে জানিয়ে দিলেন বিচারপতি রাজা শেখর মান্থা। ফলে এখনই দ্বিতীয় বার ময়না তদন্তের প্রয়োজন নেই। বদলে magistrate পর্যায় এর তদন্ত করতে হবে। একই সঙ্গে সি আই ডি তদন্ত করবে। ১২ মে সি আই ডি কে রিপোর্ট দিতে হবে। জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করছে। তারাও চাইলে রিপোর্ট দিতে পারে। নির্দেশ বিচারপতি মান্থার।
শুনানি।
মৃত্যুঞ্জয় বর্মণের পরিবারের আইনজীবী —- এটি পুলিশের গুলিতে মৃত্যুর ঘটনা। কোনো প্রোরচনা ছাড়াই গুলি চালানো হয়েছে। ঘটনার পর পুলিশ সুপারের কাছে অভিযোগ জানানো হলেও কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। সিআইডিকে তদন্তভার দেওয়া হয়েছে।

রাজ্যের আইনজীবী অমল সেন —পরিস্থিতি উত্তপ্ত ছিল পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে পুলিশের তরফে গুলি চলে। গ্রামবাসীরা পুলিশ কে আক্রমণ করে। এ এস আই মোয়াজেম হোসেন কে আক্রমণ করা হয়। আতরক্ষার জন্যে পুলিশ গুলি চালায়। কিন্তু ঘটনায় অভিযোগ পাওয়ার পরই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে ২৭ তারিখ মৃত্যুঞ্জয় বর্মণের পরিবারের তরফে অভিযোগ পাওয়ার পরই ঘটনায় সিআইডি তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি বুলেটের খোল। একটি রক্ত মাখা ওড়না উদ্ধার হয়েছে।

ঘটনায় আহত এ এস আই মোয়াজেম হোসেনের স্ত্রীর আইনজীবী —- ফিরোজ এদুলজি
ঘটনার দিন দিন দুই রাউন্ড গুলি চলেছিল। এই এ এস আই মোজাম্মেল হোসেনকে টার্গেট করে মারা হয়েছে। তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন।
ঘটনা হলো গত ২১ এপ্রিল দ্বাদশ শ্রেণির এক ছাত্রীকে গণধর্ষণ করে খুনের অভিযোগে এমনিতেই উত্তেজনা ছড়িয়েছিল উত্তর দিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জে। তার মধ্যেই ২৬ এপ্রিল বুধবার রাতে এক যুবক মৃত্যুঞ্জয়ের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে নতুন করে তেতে ওঠে কালিয়াগঞ্জ। কালিয়াগঞ্জ সংলগ্ন রাধিকাপুর পঞ্চায়েতের চাঁদগ্রামে ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ ছিল, রাত দুটো নাগাদ পুলিশের পোশাকে বেশ কয়েক জন একটি গাড়িতে চেপে স্থানীয় পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য বিষ্ণু বর্মণের বাড়িতে হাজির হন। তিনি সেই সময়ে বাড়িতে ছিলেন না। তাঁকে না পেয়ে প্রথমে এক বয়স্ক ব্যক্তিকে মারধর করতে করতে গাড়িতে তোলা হয়। তার পর গুলিও চালান পুলিশের পোশাকধারীরা। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, সেই গুলির আঘাতেই মৃত্যু হয় বিষ্ণুর ভাই মৃত্যুঞ্জয়ের।