Date : 2024-06-26

রামচন্দ্র পান্ডা মামলায় অন্যতম সাক্ষী কাকলি পন্ডা এবার সিবিআই তদন্তের দাবিতে হাই কোর্টের দ্বারস্থ।

রামচন্দ্র পান্ডা মামলায় অন্যতম সাক্ষী কাকলি পন্ডা এবার সিবিআই তদন্তের দাবিতে হাই কোর্টের দ্বারস্থ।

ষষ্ঠী চট্টোপাধ্যায়, সাংবাদিক : সেই মামলায় সিবিআইকে আদালতের প্রশ্ন —–কিছু ঘটনা প্রতিশোধ বশত হচ্ছে। সবাই সিবিআই তদন্ত চাইছেন। কিন্তু আপনারা কি এত তদন্ত ভার নিতে সক্ষম? এত আধিকারিক আছেন কি আপনাদের? রামচন্দ্র পান্ডার মামলায় প্রশ্ন সিবিআই এর আধিকারিককে।
সিবিআই এর তরফে অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল জানালেন ৫ জন বিশেষ প্রশিক্ষিত সিবিআই আধিকারিক ইতিমধ্যেই রাজ্যে এসেছেন। তাদের বিশেষ মামলা গুলির দায়িত্ব দেওয়া হবে।
যে মামলার সূত্রে এই প্রশ্ন তা হল বছর ২৮ ডিসেম্বর ফ্রেন্ডস ইঞ্জিনিয়ার কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিমিটেডের সম্পাদক কাকলি পন্ডার অভিযোগের ভিত্তিতে ঠিকাদার রামচন্দ্রের বিরুদ্ধে এফআইআর করে পুলিশ। এর পর তাঁকে গ্রেফতারও করা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে কাঁথি পুরসভায় টেন্ডার সংক্রান্ত মামলায় দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর ভাই সৌমেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ হিসাবে পরিচিত রামচন্দ্র। কিন্তু হাইকোর্টে কাকলী জানান, এই অভিযোগের পিছনে রাজনৈতিক কারণ রয়েছে। এর আগেও কয়েক বার অভিযোগ করা হয়েছিল। এখন যে এফআইআর করা হয়েছে তা সাজানো।
এখন এই মামলায় কাকলিকে সাক্ষী হিসেবে জেরা করছে কাঁথি থানার পুলিশ। কিন্তু অভিযোগ কাঁথি থানার ওসি অমলেন্দু বিশ্বাস তাকে ভয় দেখাচ্ছেন। বিচারপতির নাম করে বলছেন। ওই বিচারপতি বাঁচাতে পারবে না। যেখানে সিসিটিভি নেই থানার সেই কক্ষে নিয়ে জেরা করা হচ্ছে।
আদালতের নির্দেশ
এই মামলায় অমলেন্দু বিশ্বাসকে মামলায় পক্ষভুক্ত করতে হবে। কেনো জেরা কক্ষে কোনো সিসিটিভি ছিল না তা নিয়ে পূর্ব মেদিনীপুরের পুলিশ সুপারকে রিপোর্ট দিতে হবে। সিবিআই তদন্তের বিষয়টি পরে ভাবনা চিন্তা করবে আদালত।