Date : 2024-06-25

ঘরোয়া উপায়ে ঘামাচি বলবে বাই বাই

ঘরোয়া উপায়ে ঘামাচি বলবে বাই বাই

সঞ্জনা লাহিড়ী, সাংবাদিক- ২-১ পশলা বৃষ্টি হলেও প্যাচ-প্যাচে গরম যেন যাচ্ছেই না। যার ফলস্বরূপ দেখা যাচ্ছে, গলায়- পিঠে- ঘাড়ে-হাতে, শরীরের সর্বত্র যেন জ্বালা-পোড়া ঘামাচি- ৱ্যাশ। বাজার চলতি ঘামাচি রোধক নানান পাউডার লাগালেও ঘামাচির চোখ- রাঙানি থেকে যেন নিস্তার নেই। তবে এমন কয়েকটি ঘরোয়া উপাদান রয়েছে যার মাধ্যমে ঘামাচির চুলকানি বা জ্বালা- পোড়া থেকে রেহাই পাওয়া সম্ভব।
১) হলুদ- হলুদে থাকে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল গুণ। সমান পরিমাণে লবণ, হলুদ ও মেথি একসঙ্গে নিয়ে পিষে নিতে হবে। স্নানের আগে এই মিশ্রণটি কে সারা শরীরে সাবানের মতো লাগিয়ে নিতে হবে। ৫ মিনিট অপেক্ষা করে স্নান করে নিন। সপ্তাহে একবার এই প্যাকটি ব্যবহার করা দরকার। এর ফলে ঘামাচির সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে।
২) বরফের টুকরো- প্লাস্টিকের ব্যাগ বা কাপড়ে বরফের টুকরো রেখে ঘামাচির উপর লাগাতে হবে। সরাসরি ত্বকে বরফ লাগানো উচিত না। বরফ কাপড়ের টুকরো বা প্লাস্টিকের মধ্যে রেখে লাগাতে হবে। ৪ থেকে ৬ ঘণ্টা অন্তর অন্তর ১০ মিনিট করে লাগালে ঘামাচি থেকে মুক্তি সম্ভব।
৩) অ্যালেভেরা- অ্যালোভেরার মধ্যে রয়েছে ঔষধি গুণাগুণ। ত্বকের সমস্ত সমস্যার সমাধানের জন্য এটি অনেকেই ব্যবহার করে থাকেন। অ্যালোভেরার রস ৱ্যাশ, ব্রণ, ঘামাচিতে দারুণ কাজ করে।
৪) চন্দন- বিভিন্ন রকমের ঘা বা ক্ষত সারিয়ে তোলা বা রোধের জন্য চন্দন বেশ কার্যকরী। ক্ষত স্থান ঠান্ডা করে চন্দন। সমান পরিমাণে চন্দন কাঠের গুঁড়ো এবং ধনে গুঁড়ো মিশিয়ে তাতে গোলাপ জল মিশিয়ে একটি যোগ ঘন পেস্ট করে তা ঘামাচির উপর লাগিয়ে রাখুন। ১৫-২০ মিনিট পর ঠান্ডা জল দিয়ে ধুয়ে দিন।
৫) মুলতানি মাটি- ত্বকের বিভিন্ন সমস্যার জন্য মুলতানি মাটি খুব ভাল। ফুসকুড়ি, ঘামাচি, ব়্যাশ সারিয়ে তুলতে মুলতানি মাটি কার্যকরী। মুলতানি মাটিতে গোলাপজল মিশিয়ে একটি মিশ্রণ তৈরি করে তা ঘামাচিতে লাগালে ঘামাচি দূর হয়।