Date : 2024-02-25

চলতি মরশুমের রেকট ভীড় বর্ষবরণে।

নাজিয়া রহমান, সাংবাদিক : করোনার সময় চিড়িয়াখানার দর্শক সংখ্যা কিছুটা কমলেও। করোনাকাল কাটতেই ধীরে ধীরে বাড়ছে দর্শকের সংখ্যা। চলতি ঋতুতে ২৫ ডিসেম্বর ও ৩১ ডিসেম্বরের দর্শক সংখ্যাকে পিছোনে ফেলে দিয়েছে ১জানুয়ারির চিড়িয়াখানার ভীড়।

শীতকালের অপেক্ষা যেমন মানুষ করে। তেমনই এই ঋতুর অপেক্ষায় হয়তো থাকে আলিপুর চিড়িয়াখানার হাজারেরও বেশি পশুপাখিরা। বছরের অন্য সময়ের চেয়ে সবচেয়ে বেশি দর্শক হয় শীতকালে। বিশেষ করে ডিসেম্বর ও জানুয়ারি মাস জুড়ে। এই সময় দর্শকের সংখ্যা তুলনায় অনেকটাই বেশি হওয়ায় চিড়িয়াখানার নিরাপত্তা জনিত ব্যবস্থাও থাকে আঁটোসাটো। ২৫ ডিসেম্বর থেকে ১জানুয়ারি। উপচে পড়া ভীড় লক্ষ্য করা যায় চিড়িয়াখানায়। বড়দিন, বর্ষশেষ ও বর্ষবরণের আনন্দটা স্বপরিবার কাটাতে শহর থেকে জেলা হাজার হাজার মানুষ চিড়িয়াখানা আসেন। সেখানে পিকনিকের মুডে দিনভোর সময় কাটান তারা। সঙ্গে দেখেন চিড়িয়াখানার অসংখ্য পশুপাখি।

২৫ ডিসেম্বর ২০২৩ দর্শকের সংখ্যা ছিল ৬৪ হাজার। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ দর্শকের সংখ্যা ছিল ৭১ হাজার। তবে সবকিছুকে ছাড়িয়ে গেছে
১জানুয়ারি ২০২৪ এর দর্শক সংখ্য। বর্ষবরণের দিন দর্শকের সংখ্যা ছিল ৮৫ হাজার।

দর্শকদের সুবিধা ও পশুপাখিদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে একাধিক ব্যবস্থা গ্রহন করেছিলেন চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ। চিড়িয়াখানা প্রবেশের জন্য চারটি প্রবেশপথ খোলা হয়েছিল।
৩০ টি টিকিট কাউন্টার খোলা হয়েছিল।
অনলাইন টিকিট কাটার ব্যবস্থাও করা হয়েছিল।
২০০টি সিসিটিভি তে সর্বক্ষণ নজরদারি চলেছে।
চিড়িয়াখানা নিজেস্ব নিরাপত্তারক্ষীদের নজরদারি চলছে।পুলিশের তরফ থেকে নিরাপত্তা নিয়ে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।পশুপাখিদের নিরাপত্তা যাতে বিঘ্নিত না হয় সেদিকে সজাগ চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ।

দর্শক সংখ্যা বেশি হওয়ায় খুশি চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ। এতে আয়ও অনেকটাই হয়। কারণ টিকিট বিক্রির টাকা দিয়ে পশুপাখিদের খাদ্য ও নিরাপত্তারক্ষীদের খরচ চলে। শেষবার টিকিটের মূল্য বেড়েছে ২০২১ সালে। প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য ৫০ টাকা আর ২থেকে ৫ বছর বয়সই শিশুদের জন্য ২০ টাকা টিকিটের মূল্য ধার্য করা হয়। এখন টিকিটের মূল্য বাড়ানোর কোনও পরিকল্পনা নেই বলেই জানিয়েছে অধিকর্তা।