Date : 2024-02-25

বর্তমানে উপাচার্যের ক্ষমতা প্রয়োগ থেকে বিরত থাকছেন বুদ্ধদেব সউ। এক বিবৃতিতে সে কথা জানালেন তিনি।

নাজিয়া রহমান সাংবাদিক : উপাচার্যের ক্ষমতা প্রয়োগ থেকে বিরত থাকবেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তবর্তী উপাচার্য বুদ্ধদেব সাউ। তাই উপাচার্যের অফিসে তিনি যাবেন না। একথা নিজেই জানালেন সাউ।এক প্রেস বিবৃতিতে তিনি বলেন, ” আইনি এবং প্রশাসনিক বিভ্রান্তি চলছে। বিশেষ করে আচার্যর অফিস ও রাজ্য সরকার-এর তরফ থেকে যাদবপুরের অন্তবর্তী ভিসি-র কাজ নিয়ে একের পর এক নির্দেশ আসছে। আমি সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের অপেক্ষা করছি। কাজেই, বর্তমানে উপাচার্যের দফতরে যাচ্ছি না।”

গত ২৩ ডিসেম্বর যাদবপুরের সমাবর্তন অনুষ্ঠানের একদিন আগে রাজ্যপাল তথা সিভি আনন্দ বোস যাদবপুরের অন্তর্বর্তী উপাচার্য বুদ্ধদেব সাউকে অপসরণের নির্দেশ দিয়েছিলেন।রাজ্যপালের নির্দেশের পরেই উচ্চশিক্ষা দফতরের তরফ থেকে একটি চিঠি পাঠানো হয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে। যেখানে বুদ্ধদেব সাউকে উপাচার্যের ক্ষমতা ও দায়িত্ব পালন করে যেতে বলা হয়েছিল। দুটি চিঠি কোর্ট বৈঠকে পেশ করা হয়। কোর্ট বৈঠকের পর সমাবর্তন অনুষ্ঠান মঞ্চে উপাচার্যের ভূমিকায় দেখা গেছিল বুদ্ধদেব সাউ কে। সমাবর্তন অনুষ্ঠানের পরে বুদ্ধদেব সাউ আদৌও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে দায়িত্বভার পালন করতে পারেন কি না তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ও আর্থিক অনুমোদনকারী কে, তা নিয়ে প্রশ্নচিহ্ন ছিল। এই নিয়ে উচ্চশিক্ষা দপ্তরের কাছে স্পষ্টীকরণ চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছিলেন রেজিস্ট্রার স্নেহমঞ্জু বসু। তার প্রেক্ষিতেই নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে উচ্চশিক্ষা দপ্তর। তাতে বলা হয়েছে, গত ২৩ ডিসেম্বরের চিঠিতেই দপ্তর নিজের অবস্থান জানিয়ে দিয়েছিল। 

এবার বুদ্ধদেব সাউ নিজেই এক বিবৃতিতে জানালেন তিনি বর্তমানে উপাচার্যের ক্ষমতা প্রয়োগ থেকে বিরত থাকছেন। এই পরিপ্রেক্ষিতে আচার্য এবং উচ্চশিক্ষা দফতরের কাছে তার বিনিত অনুরোধ যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও প্রশাসনিক পরিবেশে স্বাভাবিকতা ফিরিয়ে আনতে অনুগ্রহ করে এগিয়ে আসুন এবং এই অচলাবস্থার সমাধান করুন তাঁরা।