Date : 2024-05-26

প্রাথমিক নিয়োগ দূর্নীতিতে চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট সিবিআইয়ের।

ষষ্ঠী চট্টোপাধ্যায়, সাংবাদিক ঃ চাকরি দেওয়ার নাম করে বানানো হয়েছিল একাধিক ভুয়ো ওয়েবসাইট।কোটি কোটি টাকা তোলা হয়েছে সেই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে। অযোগ্য, অকৃতকার্য প্রার্থীদের থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা নিয়ে নিয়োগ করা হয়েছে। ২০১৪ সালের টেট পরীক্ষায় পাশ করতে পারেননি,পরীক্ষায় সাদা খাতা জমা দিয়ে এসে বেয়াইনি পথে চাকরি করছেন বলে উল্লেখ সিবিআইয়ের রিপোর্টে। এমনকি প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ অতিরিক্ত প্যানেল তৈরি করেও অযোগ্য প্রার্থীদের জায়গা করে দেওয়া হয়েছে।

কুন্তল ঘোষ, তাপস মন্ডলরা আঁতাত করে বিপুল পরিমান টাকা তুলেছিলেন অযোগ্য প্রার্থীদের থেকে।শুধু তাপস মন্ডল প্রায় ৪ কোটি ১৩ লক্ষ টাকা ২০১৬ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে ১৪১ জন অযোগ্য প্রার্থীর থেকে তুলেছিলেন। যুক্ত ছিলো একাধিক এজেন্ট। এছাড়া বিভিন্ন এজেন্টদের মাধ্যমে প্রায় ৫.২৩ কোটি টাকা তিনি কুন্তল ঘোষের কাছে পাঠিয়েছিলেন চাকরি দেওয়ার নাম করে।পাশাপাশি কুন্তল ঘোষ নিজে ৩ কোটি ১৩ লক্ষ টাকা নিয়েছিলেন বিভিন্ন চাকরি প্রার্থীদেরকে চাকরি দেওয়ার নাম করে।

প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের নামে একাধিক ওয়েবসাইট বানিয়ে যে সমস্ত প্রার্থীরা ২০১৫ সালের টেট পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়েছিলেন তাদেরকে কৃতকার্য দেখানো হয়েছে। ৪২ হাজারের বেশি নিয়োগ হয়েছিল।এই নিয়োগে বেশ কিছু ৭৫২ জনের প্রার্থীর ফল প্রকাশ না করে আটকে রাখা হয় ইছাকৃত।পরে দেখাযায় এই ৭৫২ জনই ভুয়ো প্রার্থী। তাদের মধ্যে থেকে ৩০০ জনের বেশি নিয়োগ করে দেওয়া হয়।

২০১৫ সালের ওএমআর প্রস্তুত কারী সংস্থা এসবসুরায় এণ্ড কোম্পানি কোনো ফরমাল নির্দেশ ছাড়াই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নথি প্রার্থীদের ওএময়ার নষ্ট করে দেয়।

উল্লেখ্য ২০১৪ সালের নিয়োগ নিয়ে গত সপ্তাহে প্রশ্ন তুলেছিলেন বিচারপতি রাজা শেখর মান্থা।এমনকি প্রয়োজনে পুরো ৪২ হাজার প্রার্থীর নিয়োগ বাতিল করা হতে পারে বলেও জানান তিনি। একইসাথে সিবিআইয়ের কাছে জানতে চেয়েছিলেন এখন পর্যন্ত তারা কি তদন্ত করেছে জানাতে।