Date : 2024-05-26

২০০৯ সালের প্রাথমিক নিয়োগের মামলায় নতুন প্যানেলেও সজন পোষণের অভিযোগে হাইকোর্টে মামলা

ষষ্ঠী চট্টোপাধ্যায়, সাংবাদিক : ২০০৯ সালে মোট চারটি জেলায় মালদা,উত্তর ২৪ পরগান, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও হাওড়াতে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি করে। সেই প্যানেল পরে বাতিল করে বর্তমান তৃণমূল সরকার ক্ষমতায় আসার পর।পরে ফের নতুন করে ২০১৫ সালে লিখিত পরীক্ষা নেওয়া হয়।কিন্তু হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন বেশ কিছু প্রার্থী। সেখানে একাধিক অভিযোগ নিয়ে।আটকে যায় প্যানেল।
নির্দেশের বিরুদ্ধে সুপ্রিমকোর্টে আপিল হলে সুপ্রিমকোর্ট জানায় হাইকোর্টই মামলার নিস্পত্তি করবে।

কিন্তু ২০১৫ সালে পরীক্ষার পর প্যানেল তৈরি হয়ে গেলেও সেই নিয়োগ বছরের পর বছর মামলার গেরোয় আটকে ছিলো।অবশেষে বিচারপতি তপব্রত চক্রবর্তী ২০২১ সালে প্যানেল প্রকাশ করতে নির্দেশ দেন।ভ্যাকেন্সির নিরিখে প্যানেল প্রকাশ করতে নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট।

কিন্তু সেই প্যানেলেও স্বজন পোষণের অভিযোগ।একই সাথে রেশিও মানা হয়নি। যারা বেশি নম্বর পেয়েছে তাদের জায়গা হয়নি। অথচ কম নম্বর পাওয়া প্রার্থীদের জায়গা হয়েছে।
এই অভিযোগ নিয়ে ফের বিচারপতি রাজা শেখর মান্থার বেঞ্চে দায়ের হয়েছে মামলা।
চাকরি প্রার্থীদের আইনজীবী আলি আহসান আলমগীর জানালেন, “মালদা জেলায় প্রায় ১৩০০ টি শূন্যপদ ছিলো। নিয়োম অনুযায়ী শূণ্যপদের দেড়গুণ প্যানেল তৈরি হয়।কিন্ত মালদায় সেই নিয়োগ মানা হয়নি।এই রকম সব জেলাতেই হয়েছে। “

বিচারপতি মান্থা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের বক্তব্য জানতে চেয়েছেন।আগামী ২৫ এপ্রিলের মধ্যে তাদের বক্তব্য জানাতে হবে।
উল্লেখ্য কয়েকদিন আগে বিচারপতি হাওড়া জেলার নিয়োগের ক্ষেত্রে মামলাকারী প্রায় ৪০০ জনের বেশি প্রার্থীকে চাকরিতে নিযুক্তির করতে নির্দেশ দেন।