Date : 2024-05-26

সলমন খানের চিরশত্রু লরেন্স বিষ্ণোইয়ের হামলা গ্যাল্যাক্সি অ্যাপার্টমেন্টে। ঘটনার তদন্তে মুম্বই ক্রাইম ব্রাঞ্চ।

রাকেশ নস্কর, সাংবাদিক ঃ সলমন খানের বান্দ্রার বাংলোর সামনে রবিবার ভোর ৫টা নাগাদ গোলাগুলির ঘটনায় উঠে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য। সিসিটিভি ফুটেজে ধরা পরেছে যে দুজন বাইক আরহীর ছবি। তার মধ্যে ছিলেন গ্যাংস্টার বিশাল রাহুল। যিনি রোহিত গোদারার শ্যুটার। আর এই রোহিত গোদারা লোরেন্স বিষ্ণোই গ্যাং-এর সদস্য। ঘটনার এক ঘন্টা পরে আনমল বিষ্ণোই, যিনি গ্যাংস্টার লোরেন্স বিষ্ণোইয়ের ভাই, এই ঘটনার দায় স্বীকার করে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় বলেছেন, “এটা ট্রেলার ছিল”। পুরো ঘটনার তদন্তের অভিযোগ দায়ের হয়েছে পুলিশের কাছে। তবে এই পুরো ঘটনার তদন্তের ভার তুলে নিয়েছেন মুম্বই ক্রাইম ব্রাঞ্চ।

সিসিটিভি ফুটেজের ছবি অনুযায়ী, সলমনের গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্টের বাইরে দুজন বাইক আরোহী গুলি চালাতে শুরু করে। বাড়ির দেওয়ালে বুলেট গিয়ে লাগে। গুলি চালানোর পর দুষ্কৃতীরা পালিয়ে যায়।
প্রাথমিক পর্যায়ে মুম্বই পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করে। সুত্রের খবর অনুযায়ী, নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে অন্তত ১০টি টিম মোতায়েন করা হবে ভাইজানের বাড়ির সামনে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দুষ্কৃতিরা চার রাউন্ড গুলি চালিয়ে ঘটনাস্থল থেকে ফেরার হয়ে যান।

স্বাভাবিকভাবে এটা পরিস্কার হয়ে গিয়েছে দুষ্কৃতিরা প্ল্যান করে এসেছিল। প্ল্যানিং মাফিক ঠাণ্ডা মাথায় তাঁরা হামলা চালিয়ে চলে যান। তাদের মুখ পুরোপুরি ঢাকা ছিল। আইপিসি ৩০৭ ধারায় অ্যাটেম্পট টু মার্ডার-এর কেস সাজানো হয়েছে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে।অন্যদিকে প্রাণনাসের হুমকা উপেক্ষা করেই কাজ চালিয়ে যেতে চান সলমন খান। তিনি জানিয়েছেন, তাঁর কাজের সিডিউলে কোনও পরিবর্তন হবে না।
লরেন্স বিষ্ণোইয়ের সলমন খানের বিরুদ্ধে এমন হুমকা নতুন নয়। কৃষ্ণসার হরিণ হত্যায় সলমন অভিযুক্ত হওয়ার পর থেকে বিষ্ণোই ও তাঁর দলবল সলমনকে হিট লিস্টে রখেছে।