Date : 2024-05-26

প্রকাশিত হল উচ্চ মাধ্যমিকের ফল। গত বছরের তুলনায় বেড়েছে পাশের হার।

৬৯ দিনের মাথায় প্রকাশিত হল উচ্চমাধ্যমিকের ফল। ৮ মে বুধবার দুপুর ১টায় আনুষ্ঠানিকভাবে ফল প্রকাশ করেন উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতি চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য। এবছর মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৭লক্ষ ৫৫হাজার ৩২৪জন। যার মধ্যে পাস করেছে ৬ লক্ষ ৭৯ হাজার ৭৮৪ জন। পাশের হার ৯০শতাংশ।

নাজিয়া রহমান, সাংবাদিক : ৬৯ দিনের মাথায় প্রকাশিত হল উচ্চমাধ্যমিকের ফল। ৮ মে বুধবার দুপুর 1টায় আনুষ্ঠানিকভাবে ফল প্রকাশ করেন উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতি চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য। এবছর মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৭লক্ষ ৫৫হাজার ৩২৪জন। যার মধ্যে পাস করেছে ৬ লক্ষ ৭৯ হাজার ৭৮৪ জন। পাশের হার ৯০,শতাংশ। ২০২৩-এ পাশের হার ছিল ৮৯.২৫ শতাংশ, যা এবার ছাত্রদের পাশের হার ৯২.৩২ শতাংশ। ছাত্রীদের পাশের হার ৮৮.১৮ শতাংশ। ছাত্রী পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছাত্র পরীক্ষার্থীর তুলনায় বেশি থাকলেও পাশের হারে ছাত্রীদের টেক্কা দিয়েছে ছাত্ররা। উচ্চ মাধ্যমিকের প্রথম ১০এ রয়েছে ৫৮ জন পড়ুয়া। এর মধ্যে ছাত্র ৩৫ ও ছাত্রী ২৩ জন। মেধা তালিকায় কলকাতাকে টেক্কা দিয়েছে জেলা। মেধা তালিকায় সবচেয়ে বেশি জায়গা পেয়েছে হুগলির ছাত্রছাত্রীরা।
মেধাতালিকা-

উচ্চ মাধ্যমিকে প্রথম হয়েছে আলিপুরদুয়ারের অভীক দাস, প্রাপ্ত নম্বর ৪৯৬।
দ্বিতীয় হয়েছে নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনের ছাত্র সৌম্যদীপ সাহা। প্রাপ্ত নম্বর ৪৯৫ ।
তৃতীয় স্থান পেয়েছে মালদা রামকৃষ্ণ মিশন বিবেকানন্দ বিদ্যামন্দিরের অভিষেক গুপ্ত। প্রাপ্ত নম্বর ৪৯৪।
মেধা তালিকায় যুগ্ম ভাবে চতুর্থ প্রতীচী রায় তালুকদার ও স্নেহা ঘোষ।প্রতীচী কোচবিহারের সুনীতি একাডেমি ও শ্রেয়া চন্দননগরের কৃষ্ণভাবিনী নারী শিক্ষা মন্দিরের ছাত্রী। তাদের প্রাপ্ত নম্বর ৪৯৩।
মেধা তালিকায় পঞ্চম স্থানে রয়েছে ৭ পড়ুয়া। তারা হল, কাঁথির কন্টাই হাই স্কুলের সায়ন্তন মাইতি, বাঁকুড়া মিশন গার্লস হাই স্কুলের সুস্বাতী কুন্ডু, মালদার বুলবুলচন্ডী গিরিজা সুন্দরী বিদ্যামন্দিরের সুপ্তোত্থিতা সরকার, কলকাতার স্কটিশ চার্চ কলেজিয়েট স্কুলের সৌনক কর, বীরভূমের নবনালন্দা শান্তিনিকেতন উচ্চ বিদ্যালয়ের সানন্দা রায়, বাঁকুড়ার কেন্দুয়াডিহি হাই স্কুলের অঙ্কিত পাল ও মালদার রামকৃষ্ণ মিশন বিবেকানন্দ বিদ্যামন্দিরের অর্ণব কর্মকার। এরা প্রত্যেকেই পেয়েছে ৪৯২।

মেধাতালিকায় ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে ৭জন পড়ুয়া। তাদের প্রত্যেকের প্রাপ্ত নম্বর ৪৯১। কৃতীরা হল, হুগলির মাহেশ শ্রী রামকৃষ্ণ আশ্রম বিদ্যালয়ের রুদ্র দত্ত, দক্ষিণ ২৪পরগনার নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যালয়ের নিলয় চট্টোপাধ্যায়, বাঁকুড়া বঙ্গ বিদ্যালয়ের শুভদীপ সিনহা মহাপাত্র, কোচবিহারের সুনীতি অ্যাকাডেমির মনস্বী চন্দ, হুগলি কলেজিয়েট স্কুলের অভ্রকিশোর ভট্টাচার্য, বীরভূমের রামপুরহাট জীতেন্দ্রলাল বিদ্যাভবনের সৌম্যজিৎ নন্দী, পূর্ব বর্ধমানের মেমারি ভি এস ইনস্টিটিউশনের আফরিন মণ্ডল ও বাঁকুড়ার ইন্দপুর গোয়েঙ্কা হাই স্কুলের অনিমেষ লায়েক।

৪৯০ পেয়ে সপ্তম স্থান পেয়েছে ৫ পড়ুয়া। তারা হল, বাঁকুড়া গভর্নমেন্ট জেলা স্কুলের সৌমিক ধবল, হুগলি কলেজিয়েট স্কুলের ঋতব্রত দাস, বাঁকুড়ার সিমলি পাল মদন মোহন হাই স্কুলের বিদিশা সন্নিগ্রাহী, উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জ করোনেশান হাই স্কুলের অঙ্কিতা সরকারের, হুগলির আরামবাগ হাই স্কুলের মহম্মদ শাহিদ।

মেধা তালিকায় অষ্টম স্থানে রয়েছে ৬ পড়ুয়া। কৃতীরা হল, কলকাতার হিন্দু স্কুলের অর্ঘ্যদীপ দত্ত, হুগলির মাহেশ শ্রীরামকৃষ্ণ আশ্রম বিদ্যালয়ের অস্মিত কুমার মুখোপাধ্যায়, আরামবাগ হাই স্কুলের সোমশুভ্র কর্মকার, বাঁকুড়ার ভেদুয়াশোল হাই স্কুলের রুমা কোনার, মুর্শিদাবাদ গোয়ালযান রিফিউজি হাই স্কুলের কৌশিক ঘোষ ও বাঁকুড়ার বিবর্দ সচ্চিদানন্দ বিদ্যাপীঠের সিঞ্চন দত্ত। এদের প্রত্যেকের প্রাপ্ত নম্বর ৪৮৯।

৪৮৮নম্বর পেয়ে নবম স্থানে জায়গা পেয়েছে ৬ জন। তারা হল, অন্বেষা দত্ত -আলিপুরদুয়ার গার্লস হাই স্কুল, পৃথা দত্ত -চন্দননগর বঙ্গ বিদ্যালয়য়, (হুগলি), প্রীতম্বর বর্মণ -তরঙ্গপুর এন কে হাই স্কুল, (উত্তর দিনাজপুর), অহন চক্রবর্তী -রামকৃষ্ণ মিশন বয়েজ় হোম হাই স্কুল, রহড়া, (উত্তর ২৪ পরগনা), কুশল ঘোষ -তেহট্ট হাই স্কুল, (নদিয়া), অদ্বিতীয় বন্দ্যোপাধ্যায় -নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যালয় (দক্ষিণ ২৪ পরগনা), অর্পণ গোস্বামী -বাঁকুড়া বঙ্গ বিদ্যালয়(বাঁকুড়া), অর্ক সাহা -নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যালয়, (দক্ষিণ ২৪ পরগনা), বৃষ্টি পাল -চুঁচুড়া বালিকা বাণী মন্দির, (হুগলি), বিতান আহমেদ -সরিষা রামকৃষ্ণ মিশন শিক্ষামন্দির( দক্ষিণ ২৪ পরগনা) ওউজান চক্রবর্তী -পাঠ ভবন, (কলকাতা)।

৪৮৭পেয়ে যারা উচ্চ মাধ্যমিকে দশম হয়েছে সেই কৃতীরা হল, সৃজনী ঘোষ -কৃষ্ণভাবিনী নারী শিক্ষা মন্দির, (হুগলি), বৃষ্টি দত্ত -বেগমপুর হাই স্কুল, (হুগলি), তন্নিষ্ঠা দাস, পাথফাইন্ডার এইচএস পাবলিক স্কুল, যোধপুর পার্ক( কলকাতা), সোহা ঘোষ-কৃষ্ণভাবিনী নারী শিক্ষা মন্দির,( হুগলি), অন্তরা শেঠ -মেঝিয়ারি এস সি এস হাই স্কুল,( পূর্ব বর্ধমান), ইন্দ্রাণী সেন -পারুলডাঙ্গা নসরতপুর হাই স্কুল, (পূর্ব বর্ধমান), সুকৃতি মণ্ডল (সাঁকরাইল অভয় চরণ হাই স্কুল, হাওড়া), দেবপ্রিয়া বাড় -এগরা ঝাটুলাল হাই স্কুল, (পূর্ব মেদিনীপুর), শতপর্ণা মিল -টাকি হাউজ মাল্টিপারপাস গার্লস হাই স্কুল(কলকাতা), সোহম কোনার -মন্টেশ্বর সাগরবালা হাই স্কুল, (পূর্ব বর্ধমান), সোহম মুখোপাধ্যায় -নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যালয়, (দক্ষিণ ২৪ পরগনা), অনীশ ঘড়াই -হলদিয়া গভর্নমেন্ট স্পনসরড বিবেকানন্দ বিদ্যাভবন, (পূর্ব মেদিনীপুর), শুভজিৎ ঘোষ -নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যালয়, (দক্ষিণ ২৪ পরগনা), তৌফিক মামুদ -রহিমপুর নবগ্রাম হাই স্কুল, (হুগলি), সংসপ্তক আদক -হলদিয়া হাই স্কুল, পূর্ব মেদিনীপুর), অঙ্কিতা ঘোষ -কোচবিহার উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়(কোচবিহার)।

উচ্চ মাধ্যমিকে ৬০ শতাংশ বা তার বেশি নম্বর পেয়েছেন ৪০.৯২ শতাংশ, ৭০শতাংশ তার বেশি নম্বর পেয়েছে ২২.৩৮ শতাংশ, ৮০শতাংশ তার বেশি ৮.৪৭ শতাংশ ও ৯০ শতাংশ তার বেশি নম্বর পেয়েছে ১.২৩ শতাংশ ছাত্র-ছাত্রী। এবছর
 উচ্চ মাধ্যমিকে বিজ্ঞান বিভাগে পাশের হার সবচেয়ে বেশি, পাশ করেছে ৯৭.১৯শতাংশ ছাত্র-ছাত্রী। বাণিজ্য বিভাগে পাশের হার ৯৬.০৮ শতাংশ। কলা বিভাগে পাশের হার ৮৮.২ শতাংশ।

আরও পড়ুন : বাঘের হানায় মৃত্যু,হাইকোর্টের নির্দেশে ক্ষতিপূরণ