Date : 2019-07-21

কার্গিলের ২০ বছর পূর্তি, কি আশাঙ্কার কথা শোনালেন সেনাপ্রধান ?

ওয়েব ডেস্ক : প্রযুক্তির সহায়তায় ভবিষৎতের যুদ্ধ হতে চলেছে আরও ভয়ঙ্কর।কার্গিল দিবসের ২০ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে এমনই আশাঙ্কার কথা শোনালেন জেনারেল বিপিন রাওয়াত।

এই উপলক্ষ্যে দিল্লিতে অনুষ্ঠিত একটি সভায় তিনি জানান ‘বহুমুখী যুদ্ধের দিকে লক্ষ্য রেখে ভারতীয় সেনাবাহিনীকে এগিয়ে যেতে হবে।বেশ কিছু সুবিধাবাদী শক্তির মদত এবং প্রযুক্তির ব্যাপক পরিবর্তন বদলে দিচ্ছে যুদ্ধের গতি প্রকৃতি, যার জেরে ভবিষ্যতে যুদ্ধের ময়দান হয়ে উঠবে আরও জটিল এবং যোগাযোগ সমৃদ্ধ’।

#Newsrplus_Simante Pachar

সীমান্ত দিয়ে অবাধে গরুপাচার। কিভাবে চলছে ? কেমন ভাবে হচ্ছে এই কাজ ? জানতে চোখ রাখুন Rplus নিউজে।দেখুন বিশেষ অনুষ্ঠান 'সীমান্তে পাচার' আজ দিনভর।

Posted by RPLUS News on Saturday, July 13, 2019

তিনি আরও জানান, ভারতীয় সেনাবাহিনী পরিবর্তনের মধ্যে দিয়ে এগিয়ে চলেছে।মহাকাশ, প্রযুক্তিগত এবং স্পেশাল ফোর্স ডিভিশনের পরিবর্তনই বলে দিচ্ছে যে দেশের সশস্ত্র বাহিনীতে পরিবর্তন আসছে।উরি এবং পুলওয়ামায় হামলার ঘটনা দেশে রাজনীতি ও সেনাবাহিনীর মধ্যে দুরত্বই শুধু কমায়নি বরং পরিবর্তন এনেছে বাহিনীতে।

২০ বছর আগে কার্গিল যুদ্ধে প্রসঙ্গ স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে তংকালীন সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ভি পি মালিক জানান, ১৯৯৯ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর দ্বারা কার্গিল অধিগ্রহনের বিষয়টি নজরে আসে ১৬০ কিলোমিটার ভিতরে পাক-সেনাবাহিনীর ঢুকে যাওয়ার পর।

আরও পড়ুন: প্রবল বৃষ্টিতে বন্যা পরিস্থিতি, বিপর্যস্ত আসাম

প্রাথমিকভাবে এটিকে মুজাহিদিনের হামলা বলে ভেবে নিলেও পরে নিশ্চিত হওয়া যায় যে এটি পাকিস্তান সেনাবাহিনীর হামলা ছিল। এবং তারপরই পরোক্ষে হামলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেসময় প্রযুক্তির বাড়বাড়ন্ত না থাকায় শুধুমাত্র টহলদারির ওপর নির্ভর করতে হত।

সিয়াচেনের মতোই কার্গিল-বাটালিক সেক্টরে সেমসয় বিশেষ যোগাযোগ ব্যবস্থা ছিল না।এছাড়া অত্যাধুনিক সরঞ্জাম ও পোশাকের ব্যবহারও সেসময় সীমীত ছিল বলে জানান প্রাক্তন এই সেনাপ্রধান।কার্গিলের যুদ্ধকে ভারতীয় সেনাবাহিনীর তরফে অন্যতম সেরা যুদ্ধ হিসেবে বর্ণণা করা হয়। যেখানে পাকিস্তানি বাহিনীদের হাত থেকে পোস্টগুলি দখল করতে সক্ষম হয় ভারতীয় সেনাবাহিনী।