Date : 2019-08-18

পোখরানের অনুষ্ঠানে পরমানু অস্ত্র নিয়ে বিষ্ফোরক রাজনাথ সিং….

ওয়েব ডেস্ক: পোখরানের বিষ্ফোরক উক্তি করলেন কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং। এদিন কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং জানান, “ভারত প্রথম পরমানু অস্ত্র প্রয়োগের সম্পূর্ণ বিরোধী। তবে পরিস্থিতি অনুযায়ী এই নীতি বদলাতেও পারে।” প্রসঙ্গত, ভারত পোখরানেই দুটি পারমানবিক পরীক্ষা করেছিল। তিনি এদিন রাজস্থানের পোখরানে সেনা মহড়া অনুষ্ঠানের সমাপ্তির দিনে অংশগ্রহণ করে এই বক্তব্য রাখেন। তিনি আরও বলেন, পারমানবিক দিক থেকে আমাদের দেশকে শক্তিশালী করে তোলা একটি অঙ্গীকার ছিল কিন্তু এখন “নো ফার্স্ট ইউজ” নীতিতেই চলছে ভারত।

আরও পড়ুন : লাদাখে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করলেন মহেন্দ্র সিং ধোনি

ভারতে এই নীতির প্রবল সমর্থক। এদিন ছিল প্রক্তন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীর মৃত্যুবার্ষিকী। থাঁর ছবিতে মাল্যদান করেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। এই পোখরানেই ১৯৭৪ ও ১৯৯৮ সালে পরমানু পরীক্ষা করা হয়। জম্মু-কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা বিলোপের পর পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ভারতের সিদ্ধান্ত বিরোধী অনেকগুলি কথা শোনা যায়। মনে করা হচ্ছে এই জবাব তারই উত্তরে দিলেন রাজনাথ সিং।

আরও পড়ুন : ভারতীয় সেনাবাহিনীর বিভাগ তিনটি, স্যালুটও ভিন্নরকম

এদিন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী রাজনাথ সিং-এর সুরে প্রচ্ছন্ন হুঁশিয়ারি ছিল পাকিস্তানের বিরুদ্ধে। ভারতের পক্ষ থেকে বারবার জানানো হয় কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা বিলোপ ভারতের অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্ত, এখানে পাকিস্তানের হস্তক্ষেপ চলতে পারে না। কিন্তু এরপরেও পাকিস্তানের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রসংঘের হস্তক্ষেপ দাবি করা হয় কাশ্মীর ইস্যু নিয়ে। প্রসঙ্গত, পুলওয়ামা হামলার পরেই পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের সম্পর্কের অবনতি হতে শুরু করে। ভারতের পক্ষ থেকে উপযুক্ত জবাব দিতে বালাকোটে এয়ারস্ট্রাইকের পাল্টা আক্রমণের কথা উঠে আসে। তবে পাকিস্তানের পক্ষ থেকে তা সরকারি ভাবে মেনে না নেওয়া হলেও কাশ্মীর ইস্যুর পর সীমান্তে তৎপরতা বাড়িয়ে দেয় পাকিস্তান।