Date : 2019-11-18

৫ শ্রমিকের কফিনবন্দি দেহ পৌঁছাল সাগরদিঘিতে, কান্নার রোল গ্রামে….

মুর্শিদাবাদ: মঙ্গলবার রাতের অন্ধকারে সন্ত্রাসবাদীদের গুলিতে ছিন্নভিন্ন ৫ শ্রমিকের দেহ বৃহস্পতিবার ভোরের আলো ফুটতেই এসে পৌঁছালো মুর্শিদাবাদের বহালগ্রামে। মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের তত্ত্বাবধানে বিমানবন্দর থেকে দেহ নিয়ে আসা হয় গ্রামে। নিহতদের দেহ নিয়ে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দেন তিনি। স্বজনের দেহ গ্রামে ফিরতেই কান্নায় ভেঙে পড়ে পরিবারের সদস্যরা। পরিবারের একমাত্র রোজগারের মানুষের মৃত্যুর ফলে দিশাহারা হয়ে পড়েছে তারা।

রফিক শেখ, কামরুদ্দিন, মুরসালিম শেখ, নইমুদ্দিন শেখ ও রফিকুল শেখের কফিনবন্দি দেহ পৌঁছাতে গিয়েছিলেন সাংসদ তাহের খান, ফিরহাদ হাকিম। বহালগ্রামে মৃতদের পরিবারের হাতে দেহ তুলে দেওয়ার পর কেন্দ্রের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দিয়ে তিনি বলেন ৩৭০ ধারা প্রত্যাহারের পরও কেন কাশ্মীরের সন্ত্রাস হামলা রোখা গেল না?

রাজ্যের পরিচয় হারিয়ে জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখ এখন পৃথক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল

কেন বেঘোরে প্রাণ দিতে হল ৫ শ্রমিককে? ঘটনার তীব্র নিন্দা করে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে কাঠগড়ায় দাঁড় করান তিনি। ফিরহাদ হাকিম বলেন কর্মসূত্রে রাজ্যের মানুষ বাইরে যাবে, বাইরের লোকেরা বাংলায় আসবে সেটাই স্বাভাবিক। তবে কেন পেটের দায়ে ঘর ছেড়ে বারবার বিপদের মুখে পড়তে হচ্ছে বাঙালিদের।

শ্রমিকদের নিরাপত্তার দায় কার এই প্রশ্নও তোলেন তিনি।প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই মুর্শিদাবাদের বহালগ্রাম থেকে কাশ্মীরের কুলগামে ১৫ জন সদস্যের একটি দল শ্রমিকের কাজে গিয়েছিলেন। একটি বাড়িতে ভাড়া থাকতেন তারা। মঙ্গলবার রাতে হঠাৎ-ই সশস্ত্র সন্ত্রাসবাদীদের একটি দল এসে তাদের ঘর থেকে বের করে নিয়ে গিয়ে এলোপাথারি গুলি চালায়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ৫ জনের। এদের মধ্যে একজন প্রাণে বেঁচে গেলেও অবস্থা আশঙ্কাজনক নাম বসিরুল। তাঁকে ফিরিয়ে আনা হয়েছে, চিকিৎসা চলছে।