Date : 2019-11-19

রাত ৮ টা থেকে ১০ টা, বাজি ফাটানোর সময় দিয়ে দিল কলকাতা পুলিশ…

কলকাতা: দীপাবলি মানেই যখন তখন বাজি বা শব্দবাজির তাণ্ডবে অস্থির হয়ে যায় শহরবাসী। আইন, প্রশাসনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে চলে নিয়ম ভাঙার খেলা। এবার সেই দাওয়াই দিতেই তৈরি লালবাজার। কলকাতা পুলিশের কড়া নির্দেশ, সারাদিন ধরে আর পোড়ানো যাবে না বাজি। দীপাবলির দিন রাত ৮ থেকে ১০ পর্যন্ত বাজি পোড়ানো যাবে। কয়েক বছর আগে সুপ্রিম কোর্ট এমন নির্দেশ দিয়েছিল। এবার সেই নির্দেশকেই অক্ষরে অক্ষরে পালন করতে চায় কলকাতা পুলিশ। এই নিয়ে শুক্রবার থেকে প্রচার শুরু করছে পুলিশ। সতর্ক করে সারা শহরে লিফলেট বিলি করা হচ্ছে। পোস্টারও সাঁটানো হচ্ছে। বাংলা, হিন্দি, ইংরেজি— তিন ভাষাতেই কয়েক লক্ষ পোস্টার এবং লিফলেট ছাপানো হয়েছে। লিফলেটে বলা হয়েছে, ‘‌সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে রাত ৮টা থেকে ১০টা পর্যন্ত পোড়ানো যাবে বাজি।

এক মাস ব্যাপী অনন্য দীপাবলি ইসকনে, জানুন দামোদর ব্রতের মাহাত্ম্য

নিয়ম না মানলে তা দণ্ডনীয় অপরাধ’‌। সঙ্গে থাকছে কলকাতা পুলিশের আবেদন, ‘‌শব্দবাজির অত্যাচার নয়, আলোর উৎসবে পরিণত হোক দীপাবলি ও কালীপুজো’‌। পশ্চিমবঙ্গ দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের শব্দবাজি সংক্রান্ত নিয়মের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। ৯০ ডেসিবেলের বেশি মাত্রায় শব্দবাজি ফাটানো যাবে না। কলকাতা পুলিশ ১২৬টি বাজিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে। সেই বাজিগুলোর নামও উল্লেখ করা রয়েছে লিফলেটে। বেশ কয়েক বছর ধরেই কলকাতায় নিষিদ্ধ হয়েছে শব্দবাজি।

বেঁধে দেওয়া হয়েছে শব্দের ডেসিবল। এরপরেও শব্দের তাণ্ডব চলে দীপাবলির রাতে। কলকাতা পুলিশের তরফে নিষিদ্ধ করা হয়েছে ভুঁই পটকা, উড়ন তুবড়ি, ছুঁচো বাজি, চটপটি, দোদমা, রকেট সহ বেশ কিছু বাজি। আসলে আর্সেনিক সালফেট এবং পটাশিয়াম ক্লোরেট দিয়ে তৈরি সমস্ত বাজি নিষিদ্ধ। সেজন্য প্রতি বছর যথেষ্ট ধরপাকড়ও চলে। কলকাতা পুলিশের পক্ষ থেকে এবারও কালীপুজোর দিন চালানো হবে বিশেষ নজরদারি। বহুতলের ছাদ থেকে নজরদারি চালাবে পুলিশ। এছাড়া কিছু এলাকায় নজরদারির জন্য ব্যবহার করা হবে ড্রোন ক্যামেরা।