Date : 2019-11-18

‘মায়ের পায়ের জবা হয়ে’ বাজারে ফুটছে কাপড়ের ফুল ….

ওয়েব ডেস্ক:- উৎসব তখনই সুখের যখন সেই আনন্দ অন্যের দুঃখের কারণ না হয়। দুর্গাপুজোর পর এবার শ্যামা মাকে সাজিয়ে তুলতেও পরিবেশ বান্ধবতার দিকেই নজর রাখছে মানুষ। কালীপুজোয় আর প্লাস্টিকের জবাফুলের মালা নয় এবার কাপড়ের ফুলের মালায় সাজানো হবে। দামের দিক থেকে প্লাস্টিকের ফুলের থেকে অনেকটাই বেশি কাপড়ের জবাফুল তবে দেখতে খুব শৌখিন। তবে ক্রেতা থেকে বিক্রেতা সবাই আকৃষ্ট হচ্ছেন কাপড়ের জবাফুলে। জবা ছাড়া অসম্পূর্ণ কালীপুজো। তবে সেটা আসল জবা। সাজানোর ক্ষেত্রে আসল জবার থেকে নকল জবার চাহিদাই বেশি। গতবছর পর্যন্ত রাজ্যে কালীপুজোর আগে দেদার বিক্রি হতো প্লাস্টিকের জবা।

আরও পড়ুন : পথে আটকে গিয়েছিল জমিদারের গাড়ি, তারপরেই স্বপ্নাদেশ

বিসর্জনের পর প্লাস্টিকের মালা নিয়ে বিরম্বনার সীমা ছিল না পুরসভা কর্তৃপক্ষের। এবার বাজার থেকে কার্যত উধাও হয়ে গিয়েছে প্লাস্টিকের জবার মালা। তার বদলে বাজার জমিয়ে রেখেছে কাপড়ের জবার মালা। পূর্ব বর্ধমান, উত্তর দিনাজপুরে প্রচুর কাপড়ের জবাফুল তৈরি হচ্ছে। লাল কাপড় থেকে তৈরি এই ফুলের চাহিদা ক্রমশই বাড়ছে। কাপড়ের ফুল তৈরি করা ও মালা তৈরি করার কাজে নিযুক্ত আছেন ৭০ থেকে ৭৫ জন মহিলা কর্মী। তাদের মত, এই মালা তৈরি করতে পরিশ্রমের তুলনায় পারিশ্রমিক কম। প্রতি ডজন মালার দাম বাবদ কর্মীরা ৩০ টাকা মজুরী পান। তবুও শ্যামা পুজোর আগে কাপড়ের জবা ফুলের মালা তৈরি করতে এখন ব্যস্ততা চরমে। রোলেক্স কাপড়ের তৈরি ফুলের মালা তৈরি করা হচ্ছে। এই কাপড় অনেক বেশি উজ্জ্বল। ব্যবহার হওয়ায় পর মাটিতে মিশতে সমস্যা হয় না। পরিবেশ বাঁচাতে এর জুড়ি নেই। তাই পরিবেশ প্রেমীদের কাছেও এই উদ্যোগ খুবই গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে।