Date : 2019-11-19

বিষের জ্বালায় ফেনা তুলছে যমুনা, তার মধ্যেই ছট্ পুজোর আয়োজন….

ওয়েব ডেস্ক: তখনও ভোর হয়নি, গোটা দিল্লি শহর ঢেকে আছে ধোঁয়ায়। বিষের জ্বালায় ছটফট করছে পরিবেশ প্রকৃতি। আকাশ-বাতাস, গাছপালাকে যেন শ্বাসরোধ করছে দূষণ দানব। দিল্লির উপর দিয়েই বয়ে গেছে যমুনা নদী। নদীর উপর ভেসে রয়েছে সাদা বরফের চাদর। না, এটা গ্রীণল্যাণ্ড নয়। বরফের চাদর নয়, বরং ভেসে আছে ফেনা। দূষণে এভাবেই ডুবে গেছে গোটা দিল্লি। বিষাক্ত ধোঁয়া স্তুপাকারে জমা হচ্ছে যমুনার বুকে। রবিবার সকালে সেখানেই ছট্ পুজো করলেন পূর্ণার্থীরা। রবিবার এমন দৃশ্যই দেখা গিয়েছে যমুনা নদীতে। সৌজন্যে দিল্লির ভয়ানক দূষণ।

তথ্য বলছে হাজার পেরিয়েছে এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স। তবে এই দুর্গন্ধযুক্ত ভয়ানক বিষাক্ত ফেনার মধ্যে দাঁড়িয়েই ছট পুজো সেরেছেন অসংখ্য ভক্ত। নারী পুরুষ নির্বিশেষে ওই দূষণের মধ্যেই সামিল হয়েছিলেন ছটের পুজোতে।

উদ্বোধনের বাকি ৪ দিন,জঙ্গি ঘাঁটির অস্তিত্ব ধরা পড়ল করতারপুর করিডোরের কাছে

হাঁটু সমান জল সঙ্গে সাদা বিষাক্ত ধোঁয়ার ফেনা, এর মধ্যে দাঁড়িয়ে দিব্যি সেলফিও তুলেছেন অনেকেই। তথ্য অনুযায়ী যমুনা নদী হল দেশের দূষিত নদীগুলির মধ্যে একটি। রাজধানীর ১৯ টি নালার জল এসে পড়ে যমুনা নদীতে। এই দূষিত জলেই যমুনায় ৯৯ শতাংশ দূষণ ছড়াচ্ছে। এদিকে দীপাবলির পর প্রবল বায়ু দূষণের প্রভাব পড়ছে যমুনা নদীতে।

দূষিত গ্যাস ফেনা স্তর তৈরি করেছে যমুনা নদীর উপর। এই ধোঁয়া জনজীবনের উপর চরম প্রভাব ফেলতে চলেছে বলে আশঙ্কা করছেন চিকিৎসক ও পরিবেশবিদরা। দীপাবলির পর সাত দিন কেটে গেলেও দিল্লির আবহাওয়ার পরিস্থিতির সামান্য মাত্র উন্নতি হয়নি। পরিবেশবিদদের মত, একমাত্র মুষলধারে বৃষ্টি হলেই বাতাসে সৃষ্ট দূষিত গ্যাস থেকে মুক্তি পেতে পারে দিল্লি। বায়ু দূষণের কারণে কমেছে দৃশ্যমানতা। দম বন্ধ পরিস্থিতি শহর ও শহরতলির সর্বত্র। এই অবস্থাতেও চলছে ডিজেল-পেট্রোলের গাড়ি। এই সপ্তাহের শেষের দিকে বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর।