Date : 2019-11-19

পেট্রোল পাম্পে দিতে হবে এই পরিষেবাগুলি, নাহলে বাতিল হবে ডিলারশিপ….

ওয়েব ডেস্ক:- পেট্রোল পাম্পে শুধু পেট্রোল, ডিজেল বা গাড়ির জ্বালানি মেলে। খুব জোর গাড়ির মোবিল বা গাড়ি পরিস্কার ও মেরামতের করার ব্যবস্থা আছে পেট্রোল পাম্পে, অনেকেই এই পর্যন্ত জানেন। ইদানীং পেট্রোল পাম্পগুলোয় ফ্রি এয়ার সার্ভিস চালু হয়েছে যা অনেকেই এখনও পর্যন্ত জানেন না। এখানেই শেষ নয়, সমস্ত পেট্রোল পাম্পই গ্রাহককে বিশেষ কিছু সুবিধা দিতে দায়বদ্ধ। গাড়ির মালিকের আধিকার আছে এই পরিষেবাগুলি বুঝে নেওয়ার।

সমস্ত পেট্রল পাম্প থেকে পাওয়া সুবিধাগুলি:-
১। আপনার বাইক বা গাড়ির চাকায় কম হাওয়া থাকলে পাম্প থেকে বিনামূল্যে ভরে নিন। পরিবর্তে টাকা দাবি করলে, সেই পাম্পের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানান।
২। বিনামূল্যে পানীয় জল এবং শৌচাগার।
৩। ফার্স্ট-এড।
৪। এই সুবিধাগুলি না পেলে বা পাম্প কর্মচারীদের ব্যবহারে অসন্তুষ্ট হলে অভিযোগ করুন। সমস্ত পাম্পে অভিযোগ নিবন্ধনের ব্যবস্থা রাখা বাধ্যতামূলক।

ফিল্টার পেপার টেস্ট:-
পেট্রোলের মান সম্বন্ধে সংশয় জাগলে ফিল্টার পেপার টেস্টের দাবি করুন। এই পরীক্ষায়, একখণ্ড ফিল্টার কাগজের ওপর এক ফোঁটা পেট্রোল ফেলা হয়। ফোঁটার রঙ গোলাপি হয়ে গেলে বিশুদ্ধ পেট্রোল। অন্য রঙ হলে ভেজাল আছে।

বিনামূল্যে ফোন:-
জরুরী অবস্থায়, যে কোনও গ্রাহক বিনামূল্যে পাম্পের টেলিফোন ব্যবহার করতে পারেন। পাম্প কর্মচারীরা অনুমতি না দিলে অভিযোগ নথিবদ্ধ করুন।

জ্বালানির বিল:-
পেট্রোল ভরার পর বিল চেয়ে নিন। এই বিলেই পেট্রোলের জন্য দেওয়া করের পরিমাণ দেখানো হয়।

দাম প্রদর্শন বাধ্যতামূলক:-
সব পাম্পের মেশিনেই পেট্রোলের দাম দেখানো বাধ্যতামূলক। কারণ মূল্য জানার অধিকার সকল নাগরিকের আছে।

১৫ দিন নয়, তথ্য জমা দিয়ে হাতে হাতেই পাবেন প্যান কার্ড

পেট্রোল বা ডিজেলের ঘনত্ব পরীক্ষা করতে পারেন:-
দাম দিয়ে কেনা পেট্রোল বা ডিজেলের ঘনত্ব নিয়ে সন্দেহ থাকলে পরীক্ষা করে দেখার দাবি জানাতে পারেন। গড়ির সিলিন্ডারের চার ভাগের তিন ভাগ তেলে ভর্তি করে তাতে যন্ত্র ডুবিয়ে দেখলেই পেট্রোল বা ডিজেলের তাপমাত্রা এবং ঘনত্ব জানা যায়।

পরিমাপ যাচাই করা যায়:-
যদিও মেশিনে পরিমাণ দেখায়, তার পরেও কোনও সন্দেহ থাকলে গ্রাহক ৫ লিটার পরিমাণের জগে পেট্রোল বা ডিজেল নিতে পারেন। প্রয়োজনে ওই জগের মাপও পরীক্ষা করে দেখা হয়।

পরিষেবাগুলি না দিলে শাস্তি:-
প্রথমবার লঙ্ঘনের জন্য ১৫ দিনের জন্য বিক্রয় এবং সরবরাহের ক্ষেত্রে স্থগিতাদেশ দেওয়া হবে।
দ্বিতীয়বার লঙ্ঘনের জন্য ৩০ দিনের জন্য বিক্রয় এবং সরবরাহের ক্ষেত্রে স্থগিতাদেশ দেওয়া হবে।
তৃতীয়বার লঙ্ঘিত হলে ডিলারশিপটি বাতিল করা হবে।