Date : 2019-11-19

হরিদেবপুর ডাকাতিকাণ্ডে পুলিশের জালে ‘লেডি ডাকাত’, ধৃত আরও ২…

দক্ষিণ ২৪ পরগণা:- হরিদেবপুরের ডায়মন্ডপার্কে চিকিৎসকের বাড়িতে দিনেদুপুরে দুঃসাহসিক ডাকাতি ঘটল। আর সেই ঘটনায় অভিযুক্ত কিনা তাঁর নিজের লোক! ওই চিকিৎসকের শ্যালকের মেয়ে ঐন্দ্রিলা লক্ষাধিক টাকা ও সোনা নিয়ে চম্পট দেয়।

7/56 Diamond Park- এর বাড়িতেই থাকেন দীর্ঘদিনের এলাকার পরিচিত চিকিৎসক অরূপ কুমার দাস। তাঁর অভিযোগ, বুধবার দুপুর তিনটে নাগাদ সেই বাড়িতে ঢোকে ডাক্তারেরই শ্যালকের মেয়ে, সঙ্গে ছিল তাঁর এক বন্ধু। সেই সময় ওই চিকিৎসক বাড়িতে ছিলেন না বলেই জানিয়েছেন। তাঁর না থাকার সুযোগ নিয়ে রীতিমতো লুট করে পালিয়ে যায় দুই অভিযুক্ত। প্রসঙ্গত, চিকিৎসকের অভিযুক্ত ভাইঝি ঐন্দ্রিলা বেশ কিছুদিন আগে পাকাপাকি ভাবে বিদেশ যাওয়ার জন্য ১৯ লক্ষ টাকা দাবী করেন। কিন্তু চিকিৎসক পিশামশাই তা দিতে অস্বীকার করেন। অভিযোগ এরপরেই ডাকাতির ছক কষে ঐন্দ্রিলা। ঘটনার ২৪ ঘন্টার মধ্যে যদিও পুলিশ সম্পূর্ণ ঘটনার কিনারা করে ফেলেছে।

রাজ্য সরকারের নিয়োগে দুর্নীতি ঠেকাতে নিয়োগ পদ্ধতিতে বদল

পুলিশের দাবি ঐন্দ্রিলা প্রথমিক জেরায় জানিয়েছে, সে জানত তার পিসেমশাইয়ের ঘরে ৫০ থেকে ৬০ লক্ষ টাকা রয়েছে। সেই অনুসারেই সে রূপম সমাদ্দার ও প্রবীত্র দেবনাথকে সঙ্গে নিয়ে ডাকাতি ও একইসঙ্গে সম্পূর্ণ পরিবারকে প্রাণে শেষ করে দেওয়ার ছক কষে। বাড়িতে ঢুকেই শ্যালকের মেয়ে ও তাঁর বন্ধুটি নিশানা করে চিকিৎসকের মেয়ে ও বাড়ির পরিচারিকাকে। তাঁদের দুজনকে বেধড়ক মারধর করা হয়। সেইসঙ্গে প্রায় দেড় লক্ষ টাকার নগদ ও প্রায় ৩ লক্ষ টাকার গয়না নিয়ে পালিয়ে যায় তাঁর। চিকিৎসকের মেয়ে ও পরিচারিকার অবস্থা এতটাই গুরুতর যে, তাঁদের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভরতি করতে হয়েছে। ধৃতদের থেকে কোপ দেওয়ার বটিও উদ্ধার করেছে পুলিশ। জেরায় জানা গেছে পিশামশাইয়ের কাছে প্রায় ৫০-৬০ লক্ষ টাকা আছে জেনেই ডাকাতির ছক কষে ঐন্দ্রালা। তাকে সাহায্য করতে এসেছিল তার দুই বন্ধু। পুলিশ তাদেরও গ্রেফতার করেছে।