Date : 2020-04-02

গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে প্রতিবাদ হোক, হিংসা বন্ধে আর্জি বুদ্ধিজীবীদের….

ওয়েব ডেস্ক:- নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন নিয়ে জ্বলছে গোটা উত্তর-পূর্ব ভারত। অসম-ত্রিপুরার বিক্ষোভের আঁচ এসে পড়েছে এই রাজ্যেও। জ্বালানো হচ্ছে টায়ার, বিক্ষোভের জেরে অবরুদ্ধ রেল, সড়ক। হিংসা বন্ধ করে প্রতিবাদের ভাষা বদলানোর জন্য এবার আর্জি জানিয়েছেন বুদ্ধিজীবীরা। কোনায় একাধিক বাসে আগুন। বিপর্যস্ত সিগন্যালিং ব্যবস্থা। সাঁকরাইল স্টেশন কার্যত পরিণত হয়েছে ধ্বংসস্তূপে। হাওড়ার কোণা এক্সপ্রেসওয়ে, মুর্শিদাবাদ, দক্ষিণ ১৪ পরগণার বিভিন্ন এলাকায় জ্বালানো হয়েছে বাস। পরিস্থিতি সামলাতে কার্যত নাজেহাল অবস্থা পুলিশের। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী একাধিকবার আর্জি জানিয়েছেন গণতান্ত্রিক উপায়ে প্রতিবাদ জানানোর জন্য। চুপ থাকেননি রাজ্যের বিশিষ্টজনেরাও। সরব হয়েছেন প্রতিবাদী কার্যকলাপের বিরুদ্ধে।

বিয়ের মরসুমে সুখবর, ৩০০০ টাকা কমল সোনার দাম

মুখ্যমন্ত্রীর সুর টেনেই মন্তব্য করেছেন বুদ্ধিজীবীরা। অভিনেত্রী অপর্ণা সেন রাজ্যে হিংসা না ছড়ানোর পাশাপাশি সরকারি সম্পত্তি নষ্ট না করার আর্জি জানিয়েছেন, “গণতান্ত্রিক পথে আন্দোলন করুন। শান্তি বজায় রাখুন। ভাঙচুর নয়। যে কোনও ইস্যু চরমে পৌঁছলে হিংসাত্মক পথ নেয়, সে জায়গায় মাথা ঠান্ডা রেখে প্রতিবাদ করাই বুদ্ধিমত্তার। যেভাবে বাংলায় প্রতিবাদ হচ্ছে, তা সমর্থনযোগ্য নয়।” সাহিত্যিক শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় এই ধরনের হিংসার ঘটনার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। অপর্ণার সুর টেনে পরিচালক বুদ্ধদেব দাশগুপ্তও একই কথা বলেছেন- “এটা প্রতিবাদের পথ নয়। প্রতিবাদ সংযত, হিংসাত্মক নয়।” কৌশিকের কথায়, “গত কয়েকদিন ধরে যে পরিস্থিতি চলছে এবং ক্রমাগত আন্দোলন যে হিংসাত্মক পথ নিচ্ছে, এমনটা চলতে থাকলে আখেরে লাভ বিজেপি’রই হবে। আন্দোলনের এমন ভাষাকে বিশ্রী হিংসাত্মক চিত্র দিয়ে প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করবে গেরুয়া দল। যে অশান্তিতে সুবিধে হবে ওদের।”