Date : 2020-02-26

পেশ হল ২০২০-২১ রাজ্য বাজেট, ১১ টি প্রকল্পে অর্থ বরাদ্দের পাশাপাশি বেকারত্ব কমাতে জোর….

ওয়েব ডেস্ক: সোমবার বিধানসভায় রাজ্য বাজেট পেশ করলেন অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র। বাজেট বক্তৃতার শুরু থেকেই কেন্দ্রকে একের পর এক ইস্যুতে তোপ দাগতে শুরু করেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী। পাশাপাশি রাজ্যের খতিয়ান তুলে ধরেন বাজেটে। এবার বাজেটে মোট ১১টি নতুন প্রকল্পের ঘোষণা করা হয়েছে। এদিন অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র ২ লাখ ৫৫ হাজার ৬৭৭ কোটি টাকার বাজেট পেশ করেন। মোট ৮ কোটি টাকার ঘাটতি বাজেট।

দেশের আর্থিক অবস্থা চূড়ান্ত খারাপ অবস্থার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে।

বিশ্ব অর্থনীতিতে ভারতের স্থান দশমে নেমে গিয়েছে।

দেশের সবকটি অর্থনীতির সূচক নিম্নমুখী।

বিশেষ করে কৃষি ব্যবস্থায় চূড়ান্ত আর্থিক মন্দা সৃষ্টি হয়েছে।

দেশের আর্থিক বৃদ্ধির হার তলানিতে। কিন্তু একইসময়ে বাংলার GDP বৃদ্ধির হার ১০.৪ শতাংশ, যা ভারতের দ্বিগুণ।

একইভাবে ভারতের শিল্প বৃদ্ধির হার যেখানে ০.৬ শতাংশ, সেখানে বাংলার ক্ষেত্রে ৫ গুণ, ৩.১ শতাংশ।

কেন্দ্রের ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ প্রকল্পকে তোপ দেগেছেন অর্থমন্ত্রী।

১০০ দিনের কাজ, ক্ষুদ্র শিল্প, গ্রামীণ গৃহ নির্মাণ, গ্রামীণ রাস্তা নির্মাণ, স্কিল ডেভেলপমেন্ট, ইজ অফ গোয়িং বিজনেস, ই-টেন্ডারিংয়ে বাংলা প্রথম।

বাজেট বই না এসে পৌঁছনোয় বিরোধীদের হই- হট্টগোল।

২২,২৬৭ কোটি বিদেশি বিনিয়োগ রাজ্যে।

বড় শিল্পে ৪.৪৫ লাখ টাকার বিনিয়োগ প্রস্তাব ইতিমধ্যেই বাস্তবায়িত।

বড় শিল্পে ৪.৪৫ লাখ টাকার বিনিয়োগ প্রস্তাব ইতিমধ্যেই বাস্তবায়িত।

২ লক্ষ ৪৩ হাজার ৪১৯ কোটি টাকা ছোট ও মাঝারি শিল্পে বিনিয়োগ।

বাংলা দেশের মধ্যে আর্থিক দিক থেকে মডেল রাজ্য।

তফশিলি জাতি জন্য নতুন ‘বন্ধু’ প্রকল্প, বরাদ্দ ২৫০০ কোটি টাকা।

তফশিলি উপজাতিদের জন্য নয়া ‘জয় জহর প্রকল্প’, বরাদ্দ ৫০০কোটি টাকা।

বিনামূল্য সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্প, বরাদ্দ ৫০০ কোটি.। এর সব খরচ রাজ্য সরকার নিজে দেবে। দেড় কোটি পরিবার উপকৃত হবে।

ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের জন্য ‘বাংলাশ্রী’ প্রকল্প, বরাদ্দ ১০০ কোটি ।

বিরসা মুন্ডা বিশ্ববিদ্যালয়, আম্বেদকর বিশ্ববিদ্যালয় সহ রাজ্যে আরও নতুন ৩টি বিশ্ববিদ্যালয় আগামী বছরে। বরাদ্দ ৫০ কোটি টাকা।

‘জয় জহর’ প্রকল্পে তফশিলি উপজাতি বয়স্কদের ১০০০ টাকা করে বার্ধক্যভাতা দেওয়া হবে।

বাংলায় ৪০ শতাংশ বেকারত্ব কমেছে।

‘কর্মসাথী’ প্রকল্প- আগামী এক বছর বেকার যুবক-যুবতীদের কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে সমবায় ব্যাঙ্কের মাধ্যমে ঋণদানের ব্যবস্থা। প্রতিবছর ১ লাখ কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা হবে। ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ।

‘চা সুন্দরী’ প্রকল্প- চা শ্রমিদের জন্য বরাদ্দ ৫০০ কোটি টাকা। চা বাগানের গৃহহীন শ্রমিকদের আবাসন দেওয়ার লক্ষ্যে এই প্রকল্প।

‘হাসির আলো’ প্রকল্প- গরিব মানুষদের জন্য বিদ্যুৎ প্রকল্প। বরাদ্দ ২০০ কোটি টাকা। সব মিলিয়ে মোট ১১ টি প্রকল্পে রাজ্য বাজেটে অর্থ বরাদ্দ করেছে সরকার।

‘বন্ধু’ প্রকল্পে তফশিলি জাতির অন্তর্ভুক্ত বয়স্কদের জন্য মাসে ১০০০ টাকা করে বার্ধ্যকভাতা।

সংখ্যালঘুদের জন্য ৩ হাজার ৬০০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব।

উপজাতি উন্নয়নে বরাদ্দ ৯৩৫ কোটি টাকা।

সরকারী চাকরিতে সংরক্ষন মৌলিক অধিকার নয় জানাল সুপ্রীম কোর্ট

অনগ্রসর জাতির জন্য বরাদ্দ ৮০৫.১০ কোটি টাকা।

২ হাজার ৭৪৪টি বাংলা সহায়তা কেন্দ্র থেকে কন্যাশ্রী ও বিভিন্ন সার্টিফিকেট পাওয়া যাবে ।

 সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় বাংলার পডুয়াদের উৎসাহ প্রদানের লক্ষ্যে কলকাতা, শিলিগুড়ি ও দুর্গাপুরে ‘মহাত্মা গান্ধী, জয় হিন্দ ও আজাদ’ নামে ৩টি সিভিল সার্ভিস অ্যাকাডেমি তৈরি করা হবে।

আগামী ৩ বছর ১০০ টি নতুন MSME পার্কের জন্য ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব।

আর্থিক মন্দা সত্ত্বেও ৯ লাখ ১১ হাজার কর্মসংস্থান হয়েছে।

বাজেট বক্তৃতার শেষে অর্থমন্ত্রী রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যেয়র একটি কবিতা পাঠ করেন। আগামীদিনে রাজ্যে বেকারত্বের সংখ্যা কমিয়ে আনার পাশাপাশি জনমুখী প্রকল্পই এই বাজেটের লক্ষ্য এমনটাই জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র।