Date : 2024-05-26

সন্দেশখালির ঘটনা নিয়ে “বিগ এক্সপোজ” অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের

“সন্দেশখালীর ঘটনা বিজেপি নেতাদের মাধ্যমে পুরোটাই পরিকল্পিত ভাবে করা হয়। বাংলার রাজনীতি এতটা নিকৃষ্ট হতে পারে ভাবিনি। বাংলাকে দেশের কাছে ছোট করার জন্য এটা করেছে।”

ঋক পুরকায়স্থ, সাংবাদিক ঃ “সন্দেশখালীর ঘটনা বিজেপি নেতাদের মাধ্যমে পুরোটাই পরিকল্পিত ভাবে করা হয়। বাংলার রাজনীতি এতটা নিকৃষ্ট হতে পারে ভাবিনি। বাংলাকে দেশের কাছে ছোট করার জন্য এটা করেছে।” এই কথার মাধ্যমে শনিবার সাংবাদিক সম্মেলন শুরু করেন অভিষেক বন্দোপাধ্যায়। তারপর একটি ভিডিও প্রদর্শনীর মাধ্যমে বিজেপিকে নিশান করেন অভিষেক।

প্রথম দিন থেকেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথাকেই মান্যতা দিলেন অভিষেক বন্দোপাধ্যায়। বিজেপির পরিকল্পিত ঘটনা ছিল সন্দেশখালী। এমনটাই আবার বলেন অভিষেক বন্দোপাধ্যায়। 2019 এর নির্বাচনের সময় বিবেকানন্দের মূর্তি বিতর্ক সহ বিভিন্ন ঘটনার স্মৃতি চারণ করেন। এর পাশাপাশি বাংলার বকেয়া নিয়েও সরব অভিষেক।

ভিডিও প্রদর্শনের পর অভিষেক বলেন, “এই ফুটেজ নির্লজ্জতার সব নজির ভেঙে দিয়েছে। এই লোকটি মন্ডলের সভাপতি এই লোক। নাম গঙ্গাধর কোয়াল। এছাড়া শান্তি দোলুইও আছেন। কোনোরকম ধর্ষণ হয়নি। বাংলার মানুষকে ছোট করার জন্য এইসব কর হচ্ছে। 5 তারিখ ইডি রেইড করতে যায় শাহজাহানের বাড়িতে। শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন এই তাবড় তাবড় মাল যতদিন না গ্রেফতার হয় তোমাদের কিছু হবে না। ”

বিচারব্যবস্থাকে নিশানা করেন অভিষেক বন্দোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “রাজ্য পুলিশ কে তদন্তের সুযোগ না দিয়ে কেন্দ্রীয় সংস্থাকে হস্তান্তর করে দেয়।”

“রেখা পত্র যিনি প্রতিনিধি তিনি 2000 টাকা বিজেপির থেকে নিয়ে থানায় কমপ্লেইন করেছে। পরে আরো টাকা দেয়। খালি হাতে হবে না বন্দুক লাগবে, মদ লাগবে, টাকা লাগবে। আশি হাজার বুথে এই 5000 টাকা করে মদের টাকা দেবে বিজেপি”, এমনটাও বলেন অভিষেক বন্দোপাধ্যায়।

বিজেপি ভুয়ো ধর্ষনের অভিযোগ করেছে। এটা তাদের পরিকল্পিত এমনটাই বলেন অভিষেক বন্দোপাধ্যায়। তৃণমূলকে ছোট করতে গিয়ে বিজেপি বাংলাকে ছোট করেছে সারা দেশের কাছে।

এছাড়াও কয়লা পাচার, বা গরু পাচার নিয়েও সরব অভিষেক বন্দোপাধ্যায়। সীমানায় বিএসএফ থাকলে কি করে পাছার হয়। এই জন্য অমিত শাহের পদত্যাগ করা উচিত, এমনটাই বলেন অভিষেক বন্দোপাধ্যায়।

বিচারকরা যারা বিচার করছে তারা আজ কি বলবেন। বিজেপি সিবিআই চাইছে তাই সিবিআই। বাংলা আজ কলুষিত হলে বিজেপি দায়ী, বিচারব্যবস্থা দায়ী ও সংবাদ মাধ্যম দায়ী এমনটাই বললেন অভিষেক বন্দোপাধ্যায়।

পুলওয়ামার ঘটনাও পরিকল্পিত এমনটাই মনে করেন অভিষেক বন্দোপাধ্যায়, “নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করতে যারা মহিলাদের সম্মান বিক্রি করেন তাদের ভোট দেবেন না। 2019 সালের আগে পুলওয়ামা ঘটিয়েছিল এরা পরিকল্পিত ভাবে। আর বাংলায় সন্দেশখালিকে হাতিয়ার করে বাংলায় ক্ষমতায় আসতে চায় বিজেপি।”

রাজ্যপালকে নিশানা করেন অভিষেক বন্দোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “ভাবতেও লজ্জা লাগে রাজ্যপাল শ্লীলতাহানি করে পালিয়ে গেছে। সৎ সাহস নেই তাই পালিয়ে গেছে।”

এ ছাড়াও শ্বেতপত্র প্রকাশ করা নিয়ে আবারো সরব হয়েছেন অভিষেক বন্দোপাধ্যায়। বাংলাতে যে টাকা দিয়েছে কেন্দ্রসরকার তার শ্বেতপত্র প্রকাশ করলে অভিষেক বন্দোপাধ্যায় যে রাজনীতি থেকে অবসর নেবে। সেই কথা আবারো মনে করিয়ে দিলেন এই সাংবাদিক সম্মেলন থেকে।

আরও পড়ুন : চন্দ্রচূড়ের সাফল্যের রহস্য কি?