খতিয়ে দেখা হল বাজারদর ও পণ্যের মূল্য।

বিশ্বজিৎ নস্কর, নিজস্ব সংবাদদাতা : মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পর রাজ্যের বিভিন্ন বাজারে নজরদারি ও অভিযান শুরু করেছে এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চ। সেইমতো রবিবার সকালেই দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুর কাছারি বাজারে হানা দিল এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চের আধিকারিকরা। অভিযানে তাঁদের সঙ্গে ছিলেন বারুইপুর থানার আইসি, বারুইপুর পৌরসভা এবং বারুইপুর বিডিও অফিসের আধিকারিকরাও।সকাল সকাল আধিকারিকদের দল পৌঁছে যায় বারুইপুর কাছারি বাজারে। এরপর গোটা বাজার ঘুরে বিভিন্ন দোকানের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা হয়। মাছ, মাংস, সবজি ও ফলের বাজার থেকে শুরু করে চাল, ডিম-সহ খুচরা ও পাইকারি বাজারের একাধিক দোকানে গিয়ে ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলেন আধিকারিকরা।মূলত বাজারে বিভিন্ন পণ্যের মূল্য, বিক্রয়মূল্য, বাজারদর এবং পণ্যের দামের ক্ষেত্রে কোনও অনিয়ম হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হয়।

ব্যবসায়ীদের কাছ থেকেও বিভিন্ন পণ্যের দাম সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করেন আধিকারিকরা।অভিযানের পাশাপাশি ব্যবসায়ীদের সতর্কও করা হয়। এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চের আধিকারিক রফিকুল ইসলাম জানান, বাজারে বিভিন্ন অসাধু ব্যবসায়ীকে সতর্ক করা হয়েছে। আগামী দিনে নিয়ম ভাঙা বা অনিয়মের অভিযোগ প্রমাণিত হলে পণ্য বাজেয়াপ্ত করা থেকে শুরু করে গ্রেফতার পর্যন্ত আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলেও সতর্ক করেন তিনি।এদিন বাজারে নিষিদ্ধ প্লাস্টিকের ব্যবহার নিয়েও দোকানদারদের সতর্ক করা হয়। পরিবেশবিধি মেনে ব্যবসা করার জন্য তাঁদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এদিকে, সাতসকালে প্রশাসনের এই নজরদারিকে স্বাগত জানিয়েছেন বাজারের বহু ক্রেতা। তাঁদের বক্তব্য, নিয়মিতভাবে প্রতি মাসে এই ধরনের বাজার পরিদর্শন ও নজরদারি চালানো হলে কালোবাজারি এবং অতিরিক্ত দামে পণ্য বিক্রির প্রবণতা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আসবে। অসাধু ব্যবসায়ীদের উপরেও প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণ বজায় থাকবে।বারুইপুর কাছারি বাজারে এদিনের এই অভিযান ঘিরে সকাল থেকেই ব্যবসায়ী মহলে চাঞ্চল্য ছড়ায়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট বার্তা, বাজারে কৃত্রিমভাবে দাম বাড়ানো, কালোবাজারি কিংবা অন্য কোনও অনিয়ম বরদাস্ত করা হবে না।