শেষের দিনগুলোতে রবি গানেই কাটতো তাঁর সারা বেলা
সিগারেট, বই পড়া আর গান ছিলো তাঁর সবচেয়ে পছন্দের অবসর যাপন। অনেকবার সিগারেট ছাড়ার কথা বলেও কথা রাখেন নি তিনি।
সিগারেট, বই পড়া আর গান ছিলো তাঁর সবচেয়ে পছন্দের অবসর যাপন। অনেকবার সিগারেট ছাড়ার কথা বলেও কথা রাখেন নি তিনি।

তারা কথা রেখেছিলেন। যৌবনের তারুণ্য পেরিয়ে হাত ধরে একসঙ্গে বৃদ্ধ হয়েছিলেন। তারা দুজনে দুজনের সমস্ত রকম লড়াইতে শামিল ছিলেন, একে

অনুসূয়া দাস, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ ২০২৪-র ৮ অগাস্ট অনন্তের পথে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। মরণোত্তর দেহদান করে গিয়েছেন তিনি। কমিউনিস্ট নেতাদের মধ্যে শুধুমাত্র
বাঁচিয়েছিলেন তিনি। বলেছিলেন, ‘যত দিন আমি বেঁচে আছি, ততদিন তোমাদের কেউ ওঠাতে পারবে না।’ বৃহস্পতিবার বার বেলায় যখন শেষ বারের

গতানুগতিক ভাবেই শুরু হয়েছিল দিনটা। কে জানত এরকম এক ইন্দ্রপতনের খবর আসবে কিছুক্ষণেই। এক মুহুর্তের জন্য একলহমাতেই স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল

অনুসূয়া দাস, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ সাদা ধবধবে তার গায়ের রঙ। তার নম্বর প্লেটে জ্বলজ্বল করছে WB06002 নম্বর। এই গাড়ির সঙ্গে যার

অনুসূয়া দাস,নিজস্ব প্রতিনিধিঃ বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা ২০ মিনিটে বাম পথিকের থামল লড়াই। পাম অ্যাভিনিউয়ের বাড়িতে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন প্রাক্তন

সঞ্জনা লাহিড়ী, সাংবাদিক- তরুণ প্রজন্ম নিয়ে চিরকালই চিন্তিত ছিলেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। রাজ্যের শিক্ষিত যুবক- যুবতীরা চাকরির জন্য বাইরে চলে যাবে,

অনুসূয়া দাস, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ জন্ম ১৯৪৪ সালের পয়লা মার্চ, কলকাতায় । প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলায় স্নাতক । কলেজে থাকাকালীন কমিউনিষ্ট

ষষ্ঠী চট্টোপাধ্যায়,সাংবাদিক: সক্রিয় রাজনীতি থেকে আগেই অবসর নিয়েছিলেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য ( Buddhadeb Bhattacharya)। বৃহস্পতিবার পাম এভিনিউয়ের বাড়িতেই

এক ঘণ্টারও কম সময় ছিল হাতে। বড়জোর ৪৫ মিনিট। এর মধ্যেই দ্রুত সিদ্ধান্ত নিয়ে বাংলাদেশ ছেড়ে ভারতে চলে আসতে একপ্রকাশ

অশান্ত বাংলাদেশ। শেখ হাসিনার দেশত্যাগ প্রধানমন্ত্রীত্ব ত্যাগেও শান্তি আসেনি। শিল্পী থেকে শুরু করে মন্দির রোষের কবলে সবাই। এরই মাঝে সামনে