
দেশজুড়ে ১৪ দিনের জন্য বাড়ল লকডাউন, তৃতীয় দফায় লকডাউন ১৭ মে পর্যন্ত
প্রথম দফায় লকডাউন ছিল ২১ দিনের জন্য। ২৫ মার্চ থেকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত। দ্বিতীয় দফায় ১৯ দিনের জন্য। ১৫ এপ্রিল

প্রথম দফায় লকডাউন ছিল ২১ দিনের জন্য। ২৫ মার্চ থেকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত। দ্বিতীয় দফায় ১৯ দিনের জন্য। ১৫ এপ্রিল

শরীর ভালো যাচ্ছিল না। শেষ পর্যন্ত চলেই গেলেন ভারতীয় ফুটবলের অন্যতম কিংবদন্তি চুনী গোস্বামী। বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। বৃহস্পতিবার তাঁর

দেশজুড়ে চলছে দ্বিতীয় দফার লকডাউন। যার মেয়াদ শেষ হতে চলেছে ৩ মে। এই মেয়াদ শেষে লকডাউন কি বাড়বে, তা নিয়েই

মাত্র দু-মাসেরও কম সময়। একটা দেশ থেকে মারা গেলেন ৫০ হাজারেরও বেশি মানুষ। শুক্রবার ভারতীয় সময় রাত ৮টা পর্যন্ত পাওয়া

ফের রাজভবন-নবান্ন সংঘাত। ফের রাজ্যপাল জগদীপ ধনকর বনাম মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। করোনা পরিস্থিতি নিয়ে তিনি কিছু জানতে পারছেন না, রাজ্য

দেশজুড়ে করোনা আতঙ্ক। লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। জীবন আর মৃত্যুর মাঝখানে এখন ঢাল হয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছেন চিকিৎসক আর স্বাস্থ্যকর্মীরা।

করোনা পরিস্থিতিতে লকডাউন বিধি কতটা মানা হচ্ছে তা সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে সোমবার রাজ্যে পা রেখে কেন্দ্রীয় দল। একটি দল যায়

দেশজুড়ে চলছে দ্বিতীয় দফার লকডাউন। শনিবার পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা ১৪ হাজার ৭৯২। মারা গিয়েছেন ৪৮৮ জন। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ২০১৪

আমেরিকায় ৩৪ হাজার, ইতালিতে ২২ হাজার, স্পেনে ১৯ হাজার, ফ্রান্সে ১৭ হাজার, ইংল্যান্ডে ১৩ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু। জার্মানিতে মারা

নোভেল করোনা ভাইরাসে চিনে মৃত্যু হয়েছে ৩৩৪২ জনের। চিনের সরকারি হিসাবে সর্বশেষ এই তথ্যই জানানো হয়েছে। নোভেল করোনার আঁতুড়ঘর উহানে

চৈত্র পেরিয়ে বৈশাখ। ১৪২৬-কে বিদায় জানিয়ে এসেছে ১৪২৭ বঙ্গাব্দ। নতুন বছর নতুন আশা নিয়ে এলেও আপাতত তা শিকেয় তোলা। নোভেল

লকডাউনে রাজ্যেরই বিভিন্ন জেলায় আটকা পড়ে গিয়েছেন হাজার-হাজার বাসিন্দা। এর মধ্যে সিংহভাগই শ্রমিক। যারা কর্মসূত্রে বা অন্য কোনও কারণে ভিন