
২০ লক্ষ কোটি টাকার প্যাকেজ ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর, বিস্তারিত জানালেন অর্থমন্ত্রী
করোনার বিরুদ্ধে লড়াই করতে করতে ক্লান্ত গোটা বিশ্ব। আমেরিকা, ব্রিটেন, স্পেন, ফ্রান্স, বেলজিয়াম, সুইডেন, জার্মানি, ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশ কেউ বাদ

করোনার বিরুদ্ধে লড়াই করতে করতে ক্লান্ত গোটা বিশ্ব। আমেরিকা, ব্রিটেন, স্পেন, ফ্রান্স, বেলজিয়াম, সুইডেন, জার্মানি, ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশ কেউ বাদ

নোভেল করোনা ভাইরাসে ভারতে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা উর্ধ্বমুখী। শনিবার সকাল ৮টায় স্বাস্থ্যমন্ত্রক প্রকাশিত বুলেটিনে দেশে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে

কেউ রাস্তায় পড়ে ছটফট করছেন, কেউ বমি করছেন, কেউ নিথর হয়ে পড়ে রয়েছেন। কেউ মাস্ক পরা অবস্থাতেই নিজের শ্বাসকষ্টের কথা

প্রথম দফায় লকডাউন ছিল ২১ দিনের জন্য। ২৫ মার্চ থেকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত। দ্বিতীয় দফায় ১৯ দিনের জন্য। ১৫ এপ্রিল

দেশজুড়ে চলছে দ্বিতীয় দফার লকডাউন। যার মেয়াদ শেষ হতে চলেছে ৩ মে। এই মেয়াদ শেষে লকডাউন কি বাড়বে, তা নিয়েই

দেশজুড়ে করোনা আতঙ্ক। লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। জীবন আর মৃত্যুর মাঝখানে এখন ঢাল হয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছেন চিকিৎসক আর স্বাস্থ্যকর্মীরা।

দেশজুড়ে চলছে দ্বিতীয় দফার লকডাউন। শনিবার পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা ১৪ হাজার ৭৯২। মারা গিয়েছেন ৪৮৮ জন। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ২০১৪

নোভেল করোনা ভাইরাসে চিনে মৃত্যু হয়েছে ৩৩৪২ জনের। চিনের সরকারি হিসাবে সর্বশেষ এই তথ্যই জানানো হয়েছে। নোভেল করোনার আঁতুড়ঘর উহানে

প্রথম দফায় ২৫ মার্চ থেকে ১৪ এপ্রিল ২১ দিনের লকডাউন পার করেছে দেশ। ১৫ এপ্রিল থেকে শুরু হয়ে গিয়েছে দ্বিতীয়

২৫ মার্চ থেকে ১৪ এপ্রিল। দেশজুড়ে ২১ দিনের লকডাউনের কথা ঘোষণা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেই লকডাউনের মেয়াদের পর কী?

দেশজুড়ে চলছে ২১ দিনের লকডাউন। যার মেয়াদ শেষ হবে আগামী ১৪ এপ্রিল। এরপর কী। লকডাউন উঠে যাবে নাকি চলবে। তা

করোনার বিরুদ্ধে একজোট হয়ে ভারতবাসীর লড়াই। ২১ দিনের লকডাউন সেই লড়াইয়েরই অঙ্গ। প্রধানমন্ত্রীর আহবান ছিল, রবিবার রাত ৯টায় ৯ মিনিটের