বারুইপুর GMIT-তে নবীন বরণ অনুষ্ঠান

বারুইপুর GMIT (গার্গী মেমোরিয়াল ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি) ক্যাম্পাসের নবীন বরণ এবং দীর্ঘ ১৫ বছর পর বয়েজ হোস্টেল চালু।

বিশ্বজিৎ নস্কর, নিজস্ব সংবাদদাতা : বারুইপুর GMIT ক্যাম্পাসে সম্প্রতি এক জমজমাট নবীন ছাত্রছাত্রীদের আলাপচারিতা ও পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই অনুষ্ঠানে নতুন শিক্ষার্থীদের সঙ্গে শিক্ষক-শিক্ষিকা, কলেজ কর্তৃপক্ষ এবং আমন্ত্রিত অতিথিদের এক সৌহার্দ্যপূর্ণ মতবিনিময় পর্ব সম্পন্ন হয়। তবে এই আয়োজনের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ ছিল প্রায় দেড় দশক (১৫ বছর) পর ক্যাম্পাসের বয়েজ হোস্টেল নতুনভাবে চালু হওয়া। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর ছাত্রদের আবাসন সমস্যার স্থায়ী সমাধানে এই হোস্টেলটি পুনরায় খুলে দেওয়ায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে।
​অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ফিতা কেটে নবনির্মিত বয়েজ হোস্টেলটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন সোনারপুর উত্তরের বিধায়ক দেবাশীষ ধর।
​প্যানেল অতিথি হিসেবে এই অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন একদল বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব:
​সিমরপ্রিত সিং (ডিরেক্টর, JIS Group)
​সরদার হরিন্দর পাল সিং / কাকাজি (ট্রাস্টি, JIS Group)
​বিদ্যুৎ মজুমদার (ডেপুটি ডিরেক্টর, বিজনেস ডেভেলপমেন্ট বিভাগ)
​প্রফেসর ড. জি. এল. দত্ত (চেয়ারম্যান, গার্গী মেমোরিয়াল ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি)
​বোদিসত্ত্ব ব্যানার্জি (ভাইস চেয়ারম্যান, গার্গী মেমোরিয়াল ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি)
​অ্যাডভোকেট গৌতম চক্রবর্তী (সভাপতি, বারুইপুর পশ্চিম ১ নম্বর মণ্ডল)

বিশেষ আকর্ষণ: মোটিভেশনাল সেশন
​অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিলেন HP ইন্ডিয়ার প্রিন্সিপাল এআই সায়েন্টিস্ট তপোব্রত ব্যানার্জি। তিনি প্রধান মোটিভেশনাল স্পিকার হিসেবে উপস্থিত থেকে নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে এক দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন। তাঁর বক্তৃতায় মূলত ভবিষ্যৎ শিক্ষা, উদীয়মান প্রযুক্তি (Technology) এবং কর্পোরেট বা কর্মজীবনে সফল হওয়ার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ টিপস উঠে আসে, যা শিক্ষার্থীদের অনুপ্রাণিত করে।
​শিক্ষার্থীদের প্রতিক্রিয়া
​দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে বয়েজ হোস্টেল বন্ধ থাকায় দূরদূরান্ত থেকে আসা ছাত্রছাত্রীদের আবাসন সংক্রান্ত নানা ধরনের অসুবিধার মুখে পড়তে হতো। অবশেষে হোস্টেলটি পুনরায় চালু হওয়ায় বহিরাগত ছাত্ররা ক্যাম্পাসের ভেতরেই নিরাপদ ও অনুকূল পরিবেশে থেকে পড়াশোনা করার সুযোগ পেল। কর্তৃপক্ষের এই পদক্ষেপে অভিভাবক এবং ছাত্রছাত্রী উভয়েই গভীর সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।