লাহেক আলীর অন্তর্বর্তী জামিন মঞ্জুর

টানা ৫০ দিন হেফাজতে থাকার পর বুধবার সিপিআইএম নেতা লাহেক আলীকে অন্তর্বর্তী জামিন মঞ্জুর করেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ।

বিশ্বজিৎ নস্কর, নিজস্ব সংবাদদাতা : বারুইপুর এলাকায় একটি নাবালিকা গণধর্ষণ ও খুনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় অঞ্চলে তীব্র অশান্তির সৃষ্টি হয়। ঘটনার সময় উসকানিমূলক মন্তব্য ও অশান্তিতে ইন্ধন দেওয়ার অভিযোগে বারুইপুর পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রের সিপিআইএম প্রার্থী ও নেতা লাহেক আলীর বিরুদ্ধে বারুইপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। অভিযোগের ভিত্তিতে গত ১২ই জুন বারুইপুর থানার পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে এবং পরবর্তীতে তিনি বারুইপুর সংশোধনাগারে বন্দি ছিলেন।
​কলকাতা হাইকোর্টের অন্তর্বর্তী জামিন
টানা ৫০ দিন হেফাজতে থাকার পর বুধবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ সিপিআইএম নেতা লাহেক আলীকে অন্তর্বর্তী জামিন মঞ্জুর করেন।
জামিনের প্রধান কারণ: লাহেক আলীর মা গুরুতর অসুস্থ হয়ে বর্তমানে একটি বেসরকারি নার্সিংহোমের ভেন্টিলেশনে চিকিৎসাধীন।
আদালতের নির্দেশ: আদালতে তার আইনজীবী মায়ের এই আশঙ্কাজনক শারীরিক পরিস্থিতির কথা তুলে ধরলে বিচারক মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে আগামী ১০ই আগস্ট পর্যন্ত তার অন্তর্বর্তী জামিন মঞ্জুর করেন।
পরিবারের প্রতিক্রিয়া ও পরবর্তী পদক্ষেপ
আদালতের এই রায়ে লাহেক আলীর পরিবার কিছুটা স্বস্তি প্রকাশ করেছে। লাহেক আলীর ভাই সংবাদমাধ্যমকে জানান,
তার দাদাকে সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ও মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে।
মায়ের শারীরিক অবস্থা: ছেলে গ্রেফতার হওয়ার খবর পাওয়ার পরই তার মা অত্যন্ত অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়।
পরবর্তী পরিকল্পনা: সংশোধনাগার থেকে বের হওয়ার পরপরই (সন্ধ্যা আনুমানিক সাড়ে সাতটা) লাহেক আলীকে সরাসরি তার অসুস্থ মায়ের কাছে নার্সিংহোমে নিয়ে যাওয়া হবে।
​ভবিষ্যৎ পদক্ষেপ: পারিবারিক সংকট কাটিয়ে ওঠার পর লাহেক আলী পুনরায় সত্যের পথে থেকে দলের যাবতীয় কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশ নেবেন বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়।