বিশ্ব ম্যানগ্রোভ দিবসে ঘোষণা করলেন পর্যটন মন্ত্রী শঙ্কর ঘোষ।

বিশ্বজিৎ নস্কর, নিজস্ব সংবাদদাতা : দার্জিলিং এর পর এবার দ্বিতীয় গ্লোবাল ডেস্টিনেশন হিসেবে ঘোষিত হতে চলেছে সুন্দরবন। সেই লক্ষ্যে সুন্দরবনকে ঢেলে সাজানোর পরিকল্পনার কথা জানালেন রাজ্যের পর্যটন মন্ত্রী শঙ্কর ঘোষ। বিশ্ব ম্যানগ্রোভ দিবস উপলক্ষে দক্ষিণ ২৪ পরগনার রায়চকে এক অনুষ্ঠানে এসে এ কথা জানালেন রাজ্যের পর্যটনমন্ত্রী। তিনি জানান সুন্দরবনের ম্যানগ্রোভকে মূল বিষয় করেই গড়ে উঠবে সুন্দরবনের পর্যটন শিল্পের সম্ভাবনা। সুন্দরবনের মানুষের অর্থনৈতিক মান উন্নয়নে পর্যটন শিল্পকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে রাজ্য সরকার। সে কথা মাথায় রেখে সুন্দরবনে পরিবেশ বান্ধব পর্যটনে, অর্থনীতির বিকাশে পর্যটন শিল্পের উপরেই গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
ম্যানগ্রোভ দিবসে পর্যটন মন্ত্রী শঙ্কর ঘোষ জানান ওয়ান স্টেট ওয়ান ডেস্টিনেশন হিসেবে আগেই দার্জিলিংয়ের কথা বলা হয়েছিল। এখন গ্লোবাল ডেস্টিনেশনের দ্বিতীয় ঠিকানা হতে চলেছে সুন্দরবন।
মন্ত্রীর কথায় কেন্দ্রীয় সরকারের সহযোগিতায় দ্বিতীয় ডেস্টিনেশন হিসেবে এ রাজ্যের মন্দারমনি ও সুন্দরবনের কথা ভাবা হয়েছে। কিন্তু সুন্দরবনকেই এ বিষয়ে বিশেষ প্রাধান্য দেয়া হচ্ছে আর সেই জন্যই সুন্দরবন উন্নয়ন বন ও পর্যটন দফতরের যৌথ উদ্যোগে সুন্দরবনের পরিকাঠামো ও অর্থনীতির বিকাশে জোর দেওয়া হচ্ছে।। সম্ভবত পরিবহনের পাশাপাশি কলকাতা থেকে সুন্দরবন পৌঁছতে জোর দেওয়া হচ্ছে জলপথ পরিবহনের উপরেও।
গঙ্গাসাগর মেলার সময়ে শুধু নয়, সারা বছরই পর্যটক টানতে গঙ্গাসাগর ও সুন্দরবনের বেশ কয়েকটি দ্বীপকে ঢেলে সাজানো হবে। উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার ২জন জেলাশাসককে এজন্য ইতিমধ্যেই সুন্দরবন এলাকার সম্ভাব্য পর্যটন স্যাটেলাইট ম্যাপ তৈরি নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পর্যটনের সুবিধায চালু করা হবে লাইন নম্বর ও বিশেষ অ্যাপ। যে অ্যাপে সরকারের নিবন্ধিত ট্যুর অপারেটর হোটেল মালিক ও বুকিং অপারেটরদের নাম ঠিকানা থাকবে। এদিন ম্যানগ্রোভ দিবসে আলোচনায় উঠে আসে সুন্দরবনের ম্যানগ্রোভ সংরক্ষণের বিশেষ প্রয়োজনীয়তার কথা। প্রাকৃতিক দুর্যোগের হাত থেকে মানবজাতির সুরক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলিতেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।