মৃত্যুর আশঙ্কা, তবুও রেললাইন দিয়ে হেঁটে যাচ্ছেন হরিহরপুর পঞ্চায়েত এলাকার মানুষজন।

বিশ্বজিৎ নস্কর, নিজস্ব সংবাদদাতা: রাস্তা বেহাল, তার উপর জলমগ্ন। বাধ্য হয়ে রেললাইন ধরেই যাতায়াত করছেন পড়ুয়া থেকে সাধারণ বাসিন্দারা। যেকোনও মুহূর্তে বড়সড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা। ইতিমধ্যেই ট্রেনের ধাক্কায় প্রাণ গিয়েছে এলাকার এক যুবতীর। এই ছবি বারুইপুরের মল্লিকপুর স্টেশন সংলগ্ন হরিহরপুর পঞ্চায়েত এলাকার।
মল্লিকপুর স্টেশনের ২ নম্বর প্ল্যাটফর্মের দক্ষিণ দিক থেকে বেলিয়াডাঙ্গা ট্রান্সফরমার পর্যন্ত রাস্তার বেহাল দশা। কয়েক মাস ধরে জল জমে রয়েছে রাস্তায়। দু’পাশে গজিয়ে উঠেছে জঙ্গল। বাসিন্দাদের অভিযোগ, জমা জলে পোকামাকড় ঘুরে বেড়াচ্ছে।
বেলিয়াডাঙ্গা, নতুনপাড়া, সুলতানপুর, পুরন্দরপুর-সহ একাধিক এলাকার মানুষ এই রাস্তার উপর নির্ভরশীল। মল্লিকপুর গার্লস হাই স্কুল, বয়েজ স্কুল, প্রাইমারি স্কুলের পড়ুয়ারাও প্রতিদিন এই পথ ব্যবহার করেন।
পরিস্থিতি এতটাই খারাপ যে কোথাও কোথাও বাড়ির ভিতরেও জল ঢুকে পড়েছে বলে অভিযোগ। সন্ধ্যার পর কার্যত ঘরবন্দি হয়ে থাকতে হচ্ছে বাসিন্দাদের।
অভিযোগ, বারবার পঞ্চায়েতকে জানিয়েও সমস্যার সমাধান হয়নি। ফলে রেললাইনই এখন যাতায়াতের ভরসা। বিপদ জানেন, তবুও বিকল্প রাস্তা না থাকায় বাধ্য হয়েই রেললাইন ধরে স্টেশনে যেতে হচ্ছে বলে দাবি বাসিন্দাদের।
এক বাসিন্দার আরও অভিযোগ, বেলিয়াডাঙ্গা বাবলুর দোকান থেকে নতুনপাড়া মন্দির পর্যন্ত পথশ্রী প্রকল্পে ঢালাই রাস্তা তৈরির পোস্টার দেওয়া হলেও বাস্তবে কাজ হয়নি।