“মোদী সরকার দেশের ইতিহাসে দীর্ঘতম মেয়াদের সরকার হিসেবে নতুন রেকর্ড গড়েছে।”

বিশ্বজিৎ নস্কর, নিজস্ব সংবাদদাতা : কেন্দ্রে নরেন্দ্র মোদী নেতৃত্বাধীন সরকারের ১২ বছর পূর্তি উপলক্ষে ফলতায় আয়োজিত এক সভায় সরকারের সাফল্য ও জনকল্যাণমূলক কাজের খতিয়ান তুলে ধরা হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন ফলতার বিধায়ক দেবাংশু পান্ডা এবং জয়নগর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি উৎপল নস্কর।
সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিধায়ক দেবাংশু পান্ডা বলেন, মোদী সরকার দেশের ইতিহাসে দীর্ঘতম মেয়াদের সরকার হিসেবে নতুন রেকর্ড গড়েছে। এই অর্জন দেশবাসী ও ভারতীয় জনতা পার্টির প্রত্যেক কর্মীর জন্য গর্বের।
জয়নগর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি উৎপল নস্কর সরকারের নীতির বিবর্তন তুলে ধরেন। তিনি জানান, যাত্রা শুরু হয়েছিল ‘সবকা সাথ, সবকা বিকাশ’ স্লোগান দিয়ে। পরে এর সঙ্গে যুক্ত হয় ‘সবকা বিশ্বাস’ এবং শেষ সংযোজন ‘সবকা প্রয়াস’। তিনি দাবি করেন, এই নীতিগুলি কেবল ভাষণে সীমাবদ্ধ থাকেনি। দিল্লি থেকে সুচিন্তিত ভাবনা নিয়ে একের পর এক পদক্ষেপ করা হয়েছে।
ভুয়ো সুবিধাভোগী বাতিল, সরাসরি সুবিধা
বিধায়ক দেবাংশু পান্ডা জানান, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আধার সংযোগের মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ ভুয়ো সুবিধাভোগীকে চিহ্নিত করে বাতিল করা হয়েছে। এর ফলে প্রকৃত যোগ্য মানুষের কাছে সরাসরি সরকারি সুবিধা পৌঁছানো নিশ্চিত হয়েছে। এতে সরকারের বিপুল পরিমাণ অর্থ সাশ্রয় হয়েছে।
২৫ কোটি মানুষ দারিদ্র্যমুক্ত
উৎপল নস্কর বলেন, ‘গরিবী হটাও’ এখন আর শুধু স্লোগান নয়। বিজেপি সরকার দারিদ্র্যের স্থায়ী সমাধান ও মানুষের ক্ষমতায়নে কাজ করেছে। সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০১৪ সাল থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ২৫ কোটি মানুষ দারিদ্র্যসীমার উপরে উঠে এসেছে।
করোনায় ৮০ কোটিকে বিনামূল্যে রেশন
সভায় আরও জানানো হয়, প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ অন্ন যোজনার মাধ্যমে করোনার মতো কঠিন সময়েও ৮০ কোটি দেশবাসীকে বিনামূল্যে রেশন দেওয়া হয়েছে। দেবাংশু পান্ডা বলেন, “সেই সময় আমরা খাদ্য অনিশ্চয়তায় ভুগছিলাম। কিন্তু সরকারের সুনিশ্চিত পদক্ষেপে আমরা নিশ্চিন্তে ছিলাম।”