কুলতলিতে ১৯০টি সৌরচালিত স্ট্রিট লাইট স্থাপন

কুলতলিতে ১৯০টি সৌরচালিত স্ট্রিট লাইট স্থাপন, আলোকিত হবে সুন্দরবনের গ্রামীণ জনজীবন BPCL-এর সহযোগিতায় ফ্ললেস ফাউন্ডেশনের উদ্যোগ, গ্রামীণ নিরাপত্তা ও পরিবেশবান্ধব উন্নয়নে নতুন পদক্ষেপ।

বিশ্বজিৎ নস্কর, নিজস্ব সংবাদদাতা

সুন্দরবনের প্রত্যন্ত গ্রামীণ এলাকার উন্নয়ন এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে এক গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ গ্রহণ করল ফ্ললেস ফাউন্ডেশন। ভারত পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন লিমিটেড (BPCL)-এর কর্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (CSR) কর্মসূচির সহযোগিতায় দক্ষিণ ২৪ পরগনার কুলতলি উন্নয়ন ব্লকের ভুবনেশ্বরী গ্রাম পঞ্চায়েতের পূর্ব গুড়গুড়িয়া ও মধ্য গুড়গুড়িয়া এলাকায় মোট ১৯০টি সৌরচালিত স্ট্রিট লাইট স্থাপন করা হয়েছে।
রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, সকাল ১১টায় পূর্ব গুড়গুড়িয়া রবীন্দ্র কালচারাল সোসাইটি প্রাঙ্গণে এই প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বন বিষয়ক ও পরিবেশ দফতরের মন্ত্রী মনোজ কুমার ওরাঁও সহ প্রশাসনিক আধিকারিক, জনপ্রতিনিধি এবং এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা ।
ফ্ললেস ফাউন্ডেশনের এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য, গ্রামের রাস্তাঘাটে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা করা এবং সন্ধ্যার পর সাধারণ মানুষের যাতায়াত আরও নিরাপদ করে তোলা। বিশেষ করে মহিলা, শিশু ও প্রবীণ নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি গ্রামীণ এলাকার পরিকাঠামোগত উন্নয়নেও এই প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
প্রকল্পের আওতায় পূর্ব গুড়গুড়িয়া এলাকায় ১০০টি এবং মধ্য গুড়গুড়িয়া এলাকায় ৯০টি সৌরচালিত স্ট্রিট লাইট স্থাপন করা হয়েছে। সৌরশক্তিচালিত এই আলোকব্যবস্থার ফলে প্রচলিত বিদ্যুতের উপর নির্ভরতা কমানোর পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব শক্তির ব্যবহারও বাড়বে। একই সঙ্গে এলাকার বাসিন্দাদের দৈনন্দিন যাতায়াত আরও স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ হবে বলে মনে করছেন প্রকল্পের উদ্যোক্তারা।
সুন্দরবনের গ্রামীণ পরিকাঠামোর উন্নয়ন, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নই এই উদ্যোগের অন্যতম উদ্দেশ্য। অন্যদিকে, BPCL-এর CSR কর্মসূচির মাধ্যমে প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের কাছে উন্নয়নের সুযোগ পৌঁছে দেওয়ার প্রচেষ্টাও এই প্রকল্পের মধ্যে দিয়ে প্রতিফলিত হয়েছে।
এই প্রকল্পের বাস্তবায়নের ফলে কুলতলির সংশ্লিষ্ট এলাকায় রাতের অন্ধকারে যাতায়াতের সমস্যা কমবে এবং গ্রামীণ জনজীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সুন্দরবনের প্রত্যন্ত এলাকায় সৌরশক্তির ব্যবহার বাড়িয়ে নিরাপদ ও আলোকিত গ্রামীণ পরিবেশ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে এই উদ্যোগ নিঃসন্দেহে একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ।
এই প্রকল্পের বাস্তবায়নের ফলে কুলতলির সংশ্লিষ্ট এলাকায় রাতের অন্ধকারে যাতায়াতের সমস্যা কমবে এবং গ্রামীণ জনজীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সুন্দরবনের প্রত্যন্ত এলাকায় সৌরশক্তির ব্যবহার বাড়িয়ে নিরাপদ ও আলোকিত গ্রামীণ পরিবেশ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে এই উদ্যোগ নিঃসন্দেহে একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ।