Date : 2019-10-17

কার্নিভালে এবার এক টুকরো ‘রাঙা মাটির বাংলা’…

কলকাতা: বিশ্বকর্মা পুজোর পরেই শুরু হয় মহালয়ার কাউন্টডাউন। ষষ্ঠী থেকে দশমী পর্যন্ত দুর্গাপুজোকে উৎসব প্রিয় বাঙালি যদিও বা এখন প্রায় ১৫ দিনের উৎসব বানিয়ে নিয়েছে। তাই বিজয়া দশমী শেষ হলেও শেষ হয়না পার্বন বরং শুরু হয় অন্য এক পার্বনের প্রস্তুতি। অফিসিয়ালি কাল সকাল থেকেই গঙ্গার ঘাটে ঘাটে সুরু হয়ে গেছে বিসর্জনের পালা। সিঁদুর খেলে, ঢাকের বাদ্যে নাচেও বিসর্জনের স্বাদ মেটে না। বিসর্জনকে আলাদা গুরুত্ব দেওয়ার সৌজন্যে রয়েছে কার্নিভাল।

আরও পড়ুন : বিসর্জন দেখতে গিয়ে ৩ নাবালকের সলিল সমাধি

তাই পুজোর শেষে নতুন সাজে সাজছে শহর। শহরের সেরা মূর্তিগুলি নিয়ে ফের একবার দেখে নেওয়ার সুযোগ দিতেই এই কার্নিভালের আয়োজন করা হয়েছে। এই বছর পুজোয় ১১ অক্টোবর রেড রোডে আয়োজন করা হয়েছে বিসর্জন কার্নিভালের। নিছক সাদা-মাটা নয়, বরং এবার পুজো কার্নিভালেও রয়েছে থিমের ছোঁয়া। এবারে কার্নিভালের থিম থাকছে ‘রাঙা মাটির দেশ’।

আরও পড়ুন : ভিক্ষুকের ঘর গচ্ছিত টাকা দেখে চক্ষু চড়কগাছ পুলিশের

মূলত বাঁকুড়া, বিষ্ণুপুরের পোড়া মাটির মন্দিরের আদলেই তৈরি করা হয়েছে কার্নিভালের মূল মঞ্চ। এবছর কার্নিভালে জায়গা পাবে বাছাই করা মোট ৭৫টি পুজো। বিশ্ববাংলা শারদ সম্মানের তালিকায় যে পুজো রয়েছে সেগুলোকেই কার্নিভালে নিয়ে যাওয়া হবে। রেড রোডে কার্নিভাল শেষে বিসর্জনের জন্য প্রতিমাগুলি পৌঁছে যাবে বাবুঘাটে। বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়েছে প্রতিটি নির্বাচিত পুজো কমিটির তরফ থেকে। থিম অনুসারে তারা নিজেদের অনুষ্ঠান তৈরি করবে। শোভাযাত্রা শেষে ঠাকুর বাবুঘাটের উদ্দেশ্যে রওনা দেবে। প্রসঙ্গত, আগের বছর কার্নিভালের থিম ছিল জমিদার বাড়ি।