Date : 2019-12-16

আর্টিজান বেকারির ঘটনায় সাতজনের প্রাণদণ্ড

ওয়েব ডেস্ক: ২০১৬ সালে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার চেন রেস্তরাঁ হোলি আর্টিজান বেকারিতে আইএসের ফিদায়েঁ হামলা হয়েছিল। ফিদায়েঁ বা আত্মঘাতী সন্ত্রাসবাদীদের ওই আক্রমণে ভারতের এক তরুণী সহ ২০ জন নিহত হন। ওই হত্যা মামলায় এবার আট সন্দেহভাজনের মধ্যে সাতজনের প্রাণদণ্ড হল বাংলাদেশের বিশেষ ট্রাইব্যুনালে। পুরানো ঢাকার ভিড়ে ঠাসা আদালত চত্বরে সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারপতি মুজিবর রহমান বুধবার এই প্রাণদণ্ডের রায় দেন। দোষী সাব্যস্তদের বিরুদ্ধে টেরর ফাইন্যান্সিং অর্থাৎ সন্ত্রাসে অর্থ সহায়তা এবং ফিদায়েঁদের অস্ত্র জোগানো ছাড়াও প্রত্যক্ষভাবে সাহায্য করার অভিযোগ ছিল। ২০১৬ সালের পয়লা জুলাই ঢাকায় ওই ভয়াবহ আক্রমণের ঘটনা ঘটে। আট নম্বর সন্দেহভাজনকে বিচারপতি বেকসুর খালাস করে দিয়েছেন।

আরও পড়ুন :২৬/১১র হোতারা শাস্তি পেল না কেন, ক্রোধ পম্পিও’র

আরও পড়ুন : খোঁজ মিলল ছোট্টো ‘ডগর’-এর, কুকুরছানার বয়স ১৮ হাজার বছর

যেহেতু তার বিরুদ্ধে হামলাকারী কট্টরপন্থী মুসলিম সন্ত্রাসবাদী সংগঠন নয়া-জামাতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশের সঙ্গে যোগাযোগের কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তিন বছর আগে জুলাই মাসের প্রথম দিনে আগ্নেয়াস্ত্র, গ্রেনেড ও ধারাল অস্ত্র নিয়ে পাঁচ আত্মঘাতী জঙ্গি ঢাকার অভিজাত এলাকার হোলি আর্টিজান বেকারিতে ঢুকে পড়ে। তার পর টানা ১২ ঘণ্টা ধরে তারা নজন ইতালিয়ান, সাতজন জাপানি, এক আমেরিকান এবং এক ভারতীয়কে পণবন্দি রেখে তিলে তিলে হত্যা করে। নিহত ভারতীয় তরুণীর নাম তারিষী জৈন। ইউনিভা্র্সিটি অফ ক্যালিফোর্নিয়ার ছাত্রী ছিল তারিষী। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কমান্ডো অপারেশনে জঙ্গিরা নিহত হয়। ওই আক্রমণের মাস্টার মাইন্ড হিসাবে কানাডীয় বাংলাদেশি তামিম চৌধুরিকে চিহ্নিত করেন বিচারপতি। কমান্ডো অপারেশনে তামিমও খতম হয়েছিল। দোষীদের আইনজীবী জানিয়েছেন, তারা প্রাণভিক্ষার আবেদন জানাবে।