Date : 2019-12-15

সংস্কৃত কলেজ থেকে মিলল শতাব্দী প্রাচীন সিন্দুক….

কলকাতা:- সংস্কৃত কলেজের গোডাউন থেকে উদ্ধার হল প্রায় ২০০ বছরের পুরনো সিন্দুক। পুরনো সিন্দুক খুলতে রীতিমতো চাবি তৈরি করা হয়েছে। শুক্রবার দুপুরে যে দেওয়াল আলমারি সিন্দুকটি পাওয়া গিয়েছে তার চাবি খুঁজে পাওয়া যায়নি। দীর্ঘক্ষণ চেষ্টা করার পরে চাবি তৈরি করা হয় আলমারির। সেখান থেকে উদ্ধার হয়েছে ৮৫ টি পাস বই। পাস বইয়ের তারিখ রয়েছে ১৯৩০ সালের। অনুমান করা হচ্ছে, স্কলারশিপের টাকা বাবাদ এই পাস বই ব্যবহার করা হত। তবে কেন এতদিন ধরে এই সিন্দুক আড়ালে পড়েছিল সেই নিয়েই উঠছে প্রশ্ন।

মাঝেরহাট ব্রিজের কাজ থমকে থাকায় রাজ্যকে দায়ী করে পাল্টা জবাব দিল রেল

নবজাগরণের সঙ্গে জড়িয়ে সংস্কৃত কলেজের নাম। গুদামে সিন্দুক মেলার পরই তা আনা হয় উপাচার্যের ঘরে। সেই ঘরেই একসময় বসতেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। এই ঘরে বসেই কলেজ পরিচালনা করতেন তিনি। দশজন মিলে সেই প্রাচীন ও অত্যন্ত ভারী সিন্দুকটি নিয়ে আসেন। স্পষ্ট বোঝা গিয়েছে, লক এখানকার নয়। মনে করা হচ্ছে, বিদেশের, মূলত লন্ডনের লক সেটি। ‘৯৭’ বলে একটি চিহ্ন রয়েছে সেখানে। সেটি খোলার চেষ্টা চলছে। গুদামে দীর্ঘদিন ধরে আবর্জনা জমে ছিল।

উর্ধ্বমুখী পারদ, শীতের জন্য প্রহর গুনছে শহর

দেওয়ার মধ্যে গেঁথে রাখা অবস্থায় ছিল সিন্দুকটি। উদ্ধার হওয়া পাসবুক দেখে অনুমান করা হচ্ছে যে ব্যাঙ্ক টাকা রাখাও থাকতে পারে। এছাড়াও পাওয়া গেছে রূপোর মডেল। সাতটি বন্ধ খাম পাওয়া গেছে। “মুক্তকেশী দেবীর উইডো ফান্ড”এর একটি কাগজ পাওয়া গিয়েছে সিন্দুকের মধ্যে থেকে। যা থেকে বোঝা যাচ্ছে বিদ্যাসাগর মহাশয় সেই সময় বিধবাদের দেওয়ার জন্য একটি তহবিল তৈরি করেছিলেন। তাতে ৮ টাকা করে দেওয়া হত বিধবাদের। মিলেছে প্রাপকের আঙুলের ছাপও। এছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ কিছু নথি পাওয়া গেছে যা বিদ্যাসাগর ব্যবহার করতেন।