Date : 2020-04-08

প্রসূতিকে বাঁচালেন জওয়ানরা, স্যালুট জানাল দেশ….

ওয়েব ডেস্ক: দেশের সুরক্ষার গুরু দায়িত্ব তাঁদের কাঁধে। হাঁড় হিম করা ঠাণ্ডায় শত্রুপক্ষের ওপর নজরদারি করে চলেছে ভারতীয় সেনাবাহিনী। কঠিন প্রশিক্ষণের পর নিদ্রা, ক্লান্তি ত্যাগ করে নিজের জীবনকে উৎসর্গ করেছেন তাঁরা। সেনাবাহনীর প্রত্যেক সদস্যের নিরলস পরিশ্রমে ফলে শান্তির নিদ্রা যাপন করে ১৩০ কোটি ভারতীয়। স্বাধীনতার পর দেশের প্রথম দুই সেনা প্রধান ছিলেন ব্রিটিশ। কারিয়াপ্পা ভারতের শেষ ব্রিটিশ কম্যান্ডার জেনারেল স্যার ফ্রান্সিস বাউচারকে সরিয়ে তাঁর স্থলাভিষিক্ত হন। ৪৯ বছর বয়সে ভারতীয় সেনার দায়িত্ব নেন কারিয়াপ্পা।

১৫ জানুয়ারি দিনটি তাই গোটা দেশজুড়ে সেনা দিবস হিসাবে পালন করা হয়। এমন দিনে ট্যুইটারে ভারতীয় সেনার অসামান্য কীর্তির ভিডিও প্রকাশিত হল। ভিডিওটি প্রকাশ করেছে চিনার করপস-ইন্ডিয়ান আর্মি। ভিডিওটিতে ভারতীয় সেনার মানবিকতা আর মহান আদর্শের নজির গড়েছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, প্রবল তুষার পাতে পুরু বরফের চাদরে ঢাকা পড়েছে উপত্যকা।

প্রাণভিক্ষা চেয়ে কসাইয়ের পায়ে পড়ল গর্ভবতী গরু, ভাইরাল ভিডিও

সেখানে একজন সন্তান সম্ভবা মহিলাকে আপৎকালীন অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করতে স্টেচারে করে নিয়ে আসছেন ১০০ জন সেনা জওয়ানের একটি দল। সঙ্গে রয়েছেন ৩০ জন স্থানীয় বাসিন্দা। কঠিন বরফের স্তর ভেদ করে গর্ভবতী মহিলাকে সঠিক সময় হাসপাতালে পৌঁছে দেয় সেনাবাহিনীর সদস্যরা। চিনার করপস-এর ওই পেজে লেখা হয়েছে, হাসপাতালে পৌঁছানোর পর সুস্থ সন্তানের জন্ম দিয়েছেন প্রসুতি। মা ও সন্তান দুজনেই ভালো আছেন।

নির্মীয়মাণ ৪ ডেস্ট্রয়ারের রণসজ্জায় অর্থ মঞ্জুর

বরফের আস্তরন ভেদ করে দুর্গম পথ মাত্র ৪ ঘন্টায় পার করে প্রসুতিকে হাসপাতালে নিয়ে যায় সেনা জওয়ানরা। ভারতীয় সেনার এই কাজে প্রশংসা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি ট্যুইট করে বলেন, “ভারতীয় সেনাবাহিনী বীরত্ব ও পেশাদারিত্বের জন্যই খ্যাতি অর্জন করেছেন। কিন্তু তাদের মানবিকতাকেও সম্মান করতে হয়। আমাদের সেনাবাহিনীর ক্ষমতা আছে অসম্ভবকে সম্ভব করে দেখানোর।” ট্যুইটে তিনি নবজাতক ও তার মায়ের শারিরীক সুস্থতা কামনা করেন। এখনও পর্যন্ত ভিডিওটি ট্যুইটারে ৬৫.৪K ভিউ হয়েছে।