Date : 2020-08-11

ভ্যানিলা-চকলেটে ঢেকেছে রাস্তা, স্বাদে মুগ্ধ ত্রিশূরবাসী

ওয়েব ডেস্ক: দেখলে যে কেউ বলবে রাস্তা তৈরির কাজ চলছে। প্রায় দেড় হাজার মানুষ দিব্যি কাজ করে চলেছেন। তবে সিমেন্ট বালি, চুন, সুরকির বদলে রাস্তা তৈরির সমঞ্জাম দেখলে আপনি একটু চমকে যাবেন। শ্রমিকদের গায়ে শেফ অ্যাপ্রন, কাঁচামাল হিসাবে তাদের হাতে রয়েছে ভ্যানিলা চকলেট। চকলেট দিয়ে তৈরি রাস্তা! সে আবার কেমন ব্যাপার? আজ্ঞে না, কেরলের একটি অনুষ্ঠান বাড়ির জন্য প্রায় ৬.৫ কিমি দীর্ঘ রাস্তার মাপে কেক তৈরি হয়েছে। সেইসময় চলছিল কেকের ফিনিশিং টাচ দেওয়ার কাজ। কেকটির ওজন প্রায় ২৭ হাজার কেজি।

আয়তনে প্রায় সাড়ে ৬ কিমি দীর্ঘ তিন লেনের সড়কের সমান। কেক প্রস্তুকারী সংস্থার দাবি এটাই বিশ্বের সবচেয়ে বড় কেক। কেকের উপর চকলেট আর ভেনিলার প্রলেপ দিয়ে কেরলের ত্রিশূরে একটি অনুষ্ঠান বাড়ির জন্য কেক তৈরির কাজ চলছে।

দুর্ঘটনায় লাইনচ্যুত লোকমান্য তিলক এক্সপ্রেসের ৮টি বগি, আহত ২০

কেরলের বেকারস অ্যাসোসিয়েশনের তরফে সম্পাদক নৌশাদের কথায়, ”গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে এটাই দীর্ঘতম কেক। ৬.৫ কিলোমিটার। তবে এর নিঁখুত দৈর্ঘ্য আমরা এখনও মেপে উঠতে পারিনি। নিজেদের দক্ষতা গোটা বিশ্বকে জানান দিতেই আমরা এই কেকটি বানিয়েছি। এত বড় কেকটি বানাতে গিয়ে আমরা পরিচ্ছন্নতার বিষয়টিও মাথায় রেখেছি।

সংসদে আর মিলবে না আমিষ খাবার

আর এর স্বাদ? যাঁরা চেখে দেখছেন, তাঁরাই জানেন।” প্রসঙ্গত, এর আগে গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে স্থান করে নিয়েছিল চিনের বেকারি সংস্থা জিক্সির তৈরি ৩.২ কিমি দীর্ঘ একটি ফ্রুট কেক। বেকার অ্যাসোসিয়েসন অব কেরলের তৈরি এই এই চকো-ভ্যানিলা কেকটি চিনের জিক্সির তৈরি কেকের থেকে আয়তনে প্রায় দ্বিগুন। তৈরির পর কেকটি নিয়ে গর্বিত ত্রিশূরবাসী। এখন শুধু গিনেজ বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডের সার্টিফিকেটের জন্য অপেক্ষা করছে বেকার অ্যাসোসিয়েসন অফ কেরলের সদস্যদের।