Date : 2020-01-24

মাথায় ১৫-১৬ টা সেলাই পড়ল ঐশীর, ১৭ ঘন্টা পর এফআইআর নিল পুলিশ!….

ওয়েব ডেস্ক: শনিবারই ক্যাম্পাসে এসেছিল ঝড়ের পূর্বাভাস। সেই মতো দিল্লি পুলিশকে খবর দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এরপরেও কাজ হয়নি কিছুই। রবিবার বিকেল সাড়ে ৬টা নাগাদ জেএনইউ ক্যাম্পাসে মুখোশধারীদের হামলায় আহত হন ছাত্র সংসদের সভাপতি ঐশী ঘোষ সহ বেশ কয়েকজন পড়ুয়া। এমনকি তাদের হামলা থেকে বাদ পড়েননি জেএনইউ-এর অধ্যাপক ও অধ্যাপিকারাও।ঘটনায় সবচেয়ে বেশি আহত হয়েছেন জেএনইউ ছাত্র সংসদের সভাপতি ঐশী ঘোষ। তিনি সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, মোট ১৫-১৬ টি সেলাই পড়েছে তার মাথায়। অভিযোগ, লোহার রড, লাঠি দিয়ে তার মাথায় যেভাবে মারা হয়েছে তাতে গভীর ক্ষত সৃষ্টি হয়েছে মাথায়।

প্রচুর রক্তপাত হয়েছে। তবে ঐশী এখন বিপদন্মুক্ত বলেই জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। ছাত্র সংসদের সভানেত্রী সম্পূর্ণ ঘটনার দায়ী করেছেন এবিভিপি-কে। তার অভিযোগ পুলিশকে খবর দেওয়া হলেও পুলিশ নিষ্ক্রিয় ছিল। এবিভিপি-র বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে ঐশী বলেন, জেএনইউ-র এ ধরনের সংস্কৃতি নেই। আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করা যেতে পারতো। কিন্তু ক্যাম্পাসের ভিতর বাইরের লোক কীভাবে ঢোকে? কীভাবে রড-সহ অন্যান্য অস্ত্র নিয়ে প্রবেশ করে দুষ্কৃতীরা, প্রশ্ন তোলেন ঐশী। শুধু তাই নয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের ভূমিকা নিয়েও তিনি নিন্দা করছেন। উপাচার্য দুষ্কৃতীদের মদত দিয়েছেন এমন ভিডিও হোয়াটসঅ্যাপে ঘুরছে বলে তিনি দাবী করেন।

১২০ বছরের রেকর্ড ভেঙে তাপমাত্রা ১ ডিগ্রি দিল্লিতে, বর্ষবরণে ফের বৃষ্টি শহরে

এদিন জেএনইউ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য জানিয়েছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারী কিছু পড়ুয়া এই ঘটনা ঘটিয়েছে। তবে যারা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজকর্মে সহায়তা করেছেন তাদের পাশে থাকব। আহত ছাত্র-ছাত্রীদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন উপাচার্য। এদিকে বিজেপির তরফে দাবি, জেএনইউ ক্যাম্পাস দুষ্কৃতীদের আস্তানায় পরিনত হয়েছে। এদিন কেন্দ্রীয় মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী প্রকাশ জাভড়েকর ঘটনার তীব্র নিন্দা করে এই ঘটনার জন্য বাম-আপ ও কংগ্রেসকে দায়ী করেছেন।

মাদ্রাসা শিক্ষক নিয়োগে “সুপ্রিম” রায়ে সাফল্য রাজ্যের

গতকাল রাতের অন্ধকারে জেএনইউ ক্যাম্পাসে হামলা চালায় মুখোশধারী কিছু দুষ্কৃতী। হস্টেলে ঢুকে ভাঙচুর চালানো হয়। মাথা ফাটে স্টুডেন্টস্ ইউনিয়নের সভানেত্রী ঐশী ঘোষের। হামলায় জখম হন অধ্যাপক সুচরিতা সেন।এদিন জেএনইউ হোস্টেলে ফি বৃদ্ধির দাবীতে লাগাতার আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছিল বাম ছাত্র সংগঠন। সবরমতী হস্টেল, মাহি মান্ডভি হস্টেল ও পেরিয়ার হস্টেলে হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। লাঠি, রড দিয়ে আন্দোলনকারী পড়ুয়াদের পেটানো হয়। এদিকে অভিযোগ, ঘটনা ঘটে যাওয়ার পর বহু টালবাহানা করেছে পুলিশ। প্রায় ১৭ ঘন্টা পর এফআইআর নিয়েছে পুলিশ।