Date : 2020-04-08

আগামীকাল বনধ্ -এ পরিবহণ পরিষেবা কি থাকবে? গন্তব্যে পৌঁছনোর আগে জেনে নিন….

কলকাতা: CAA ও NRC-এর প্রতিবাদে আগামীকাল দেশজুড়ে সাধারণ ধর্মঘট পালন করতে চলেছে বামপন্থী শ্রমিক সংগঠনগুলি। ধর্মঘটকে সমর্থন করছে আইএনটিইউসি। ধর্মঘটের ইস্যুকে সমর্থন করছে রাজ্য। তবে ধর্মঘটে সমর্থন নেই রাজ্য সরকারের। সরকারি পরিষেবা সচল রাখতে অনড় রাজ্য প্রশাসন। সোমবার কাকদ্বীপে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, কেন্দ্র বিরোধী আন্দোলনে তাঁর সমর্থন থাকলেও বনধ্ কে সমর্থন করছেন না তিনি। বাম ও কংগ্রেসের বিভিন্ন সংগঠনের ডাকা বুধবারের ভারত বন্‌ধে জনজীবন স্বাভাবিক রাখতে পুলিস-প্রশাসনকে সব রকম ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন নেত্রী। পাশাপাশি বনধকে সমর্থনে করে অফিসে গড় হাজির থাকলে সরকারি কর্মীদের বেতনেও যে কোপ পড়বে সে কথাও স্পষ্ট করেছেন তিনি। বনধ্ মোকাবিলায় কি কি ব্যবস্থা নিচ্ছে রাজ্য প্রশাসন? অন্যান্য দিনের তুলনায় ২২ শতাংশ অতিরিক্ত সরকারি বাস থাকবে। পাশাপাশি ট্যাক্সি ও অ্যাপ ক্যাব সংগঠনের সঙ্গে বৈঠক করেছে রাজ্য প্রশাসন। তারাও পরিষেবা স্বাভাবিক রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

গরীব দুঃস্থদের কম্বল বিলি নাগরিক পাণিহাটি সমিতির পক্ষ থেকে

ডাব্লুউ বি টি সি অতিরিক্ত ২৫০ টি বাস পথে নামবে।

স্বাভাবিক দিনে চলে ৯০০ টি বাস।

এস বি এস টি সি অতিরিক্ত ১৩৪ টি বাস পথে নামাবে।

এমনিতে স্বাভাবিক দিনে চলে ৬৯২ টি বাস।

এন বি এস টি সি অতিরিক্ত ৫০ টি বাস পথে নামাবে।

স্বাভাবিক দিনে চলে ৬৫০টি বাস।

বর্ধমান স্টেশনে বিপর্যয়ের পর একটি ফুট ব্রিজেই ভরসা যাত্রীদের

যে সমস্ত যানের রেজিস্ট্রেশন, পারমিট ও ফিট সার্টিফিকেট থাকবে সেই সব যান ধর্মঘটের দিন ক্ষতিগ্রস্ত হলে সরকার বিমার আওতায় ক্ষতিপূরণ পাবে। বাস অপারেটরস, ট্যাক্সিঅপারেটরস, অ্যাপ ক্যাব কর্তৃপক্ষ ও অটো ইউনিয়নের সঙ্গে বৈঠক করে পরিবহন দফতর। সব পক্ষই যান চলাচল স্বাভাবিক রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। ধর্মঘটের দিন সকাল ৬ টা থেকে ২৪ ঘন্টা খোলা থাকবে পরিবহণ দফতরের কন্ট্রোলরুম। সমস্যায় পড়লে সেই নম্বরে ফোন করতে পারেন।

টেলি ফোন নম্বর: ০৩৩-২৪৭৫-১৬২১, ০৩৩-২২৬২-৫৪০৯, ০৩৩-২৪২২-০৩৭৮।

এছাড়া রয়েছে টোল ফ্রি হোয়াটস অ্যাপ নম্বর: ৮৯০২০১৭১৯১

ব্যাঙ্ক ক্লার্কদের ৯টি সংগঠনের একাধিক সংগঠন এই বনধ্ -এ সামিল হতে পারে। ফলে ব্যাঙ্কিং পরিষেবা নষ্ট হতে পারে। পাশাপাশি ব্যহত হতে পারে এটিএম পরিষেবাও। এটিএম কর্মী না থাকায় টাকার অভাবে বন্ধ হতে পারে লেনদেন।