Date : 2020-12-05

এও কি সম্ভব! যৌন ক্ষমতা বজায় রাখতে মৃত ভ্রূণের স্যুপ খান চিনারা

ওয়েব ডেস্ক: কথায় আছে ‘কাক কখনও কাকের মাংস খায় না।’ কিন্তু সভ্য জীব হয়েও মানুষ মানুষের মাংস খায় একথা শুনেছেন? বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মধ্যে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বেশকিছু দেশ আছে যাদের খাদ্যতালিকা ও জীবনযাত্রার মান অন্যান্য দেশের মানুষের কাছে অস্বস্তিকর। নাগাল্যান্ড, মিজোরামের মানুষের খাদ্যাভ্যাসের কথা জানলে গা গুলিয়ে ওঠে। এই দেশগুলির তালিকায় চিন শীর্ষস্থানে আছে। চিনের মানুষের খাদ্যাভ্যাস নিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে চর্চা শোনা যায়। চিনের গুয়াংজাউ প্রদেশে কিছু মানুষের খাদ্যাভ্যাসের কথা শুনে অবাক হয়েছে নেট দুনিয়া।

সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে এমন একটি ছবি যা দেখে শিউড়ে উঠবেন। সেখানকার মানুষ নিজেদের শারীরিক সুস্থতা ও যৌনক্ষমতা বজায় রাখতে মানুষের ভ্রূণের স্যুপ খায়। চিনা অর্থের অঙ্কে এই স্যুপের দাম প্রায় ৪০০০ ইউএস ডলার। মুরগির মাংসের সঙ্গে বেশ কিছু মূল্যবান হার্বস দিয়ে মানুষের ভ্রূণটিকে প্রায় আট ঘন্টা ধরে সেদ্ধ করা হয়। একজন ক্রেতা জানিয়েছেন তার বয়স এখন ৬২ বছর। তার দ্বিতীয় স্ত্রীর বয়স মাত্র ১৯ বছর।

তিনি এই স্যুপ নিয়মিত খেয়ে নিজের যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সক্ষম হয়েছেন। স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমকে তিনি জানিয়েছেন, এই স্যুপটিকে স্থানীয় ভাষায় স্পেয়ার রিব স্যুপ নামে পরিচিত। জানা গিয়েছে, দুটি কন্যা সন্তানের পর এক দম্পতি ফের কন্যা সন্তান নিতে অক্ষম। তারা গর্ভপাতের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। গর্ভপাতের পর তাদের ভ্রূণকে কোন রেস্টুরেন্টে দেবেন বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

ভোরের আলোয় চিরনিদ্রিত কলকাতার “রাতপরী”

এছাড়াও হাসপাতালে জন্মের পর যেসব শিশুদের খুব তাড়াতাড়ি মৃত্যু হয় তাদের দর ২০০০ ইউএস ডলার। গর্ভপাত হওয়া ভ্রূণের দর অবশ্য আরও কিছুটা কম। অনেক দম্পতি এভাবে তাদের মৃত শিশুকে বিক্রি করে দেয়। ক্রমশ এই অমানবিক ব্যবসা ছড়িয়ে পড়ছে চিনের বিভিন্ন প্রান্তে। চিনা দম্পতিরা অধিকাংশই পুত্র সন্তান লাভ করতে চায়।

চিনে করোনা ভাইরাসে মৃত্যু মিছিল অব্যাহত, চিকিৎসার সরঞ্জামের অভাব

বিশেষত, যে সমস্ত চিনা পরিবার আর্থিক দিক থেকে অসচ্ছল তারা গর্ভপাত করে থাকেন। এইসব ভ্রূণ প্রায় ৭৫ইউএস ডলারে বিক্রি করা হয় গ্রিলড ডেলিসিয়াস ডিস তৈরি করার জন্য। এই খবর সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়তেই বিশ্বের দরবারে সমালোচনার সম্মুখীন হয়েছেন চিনা নাগরিকরা। চিনা নাগরিকদের অমানবিক ও অখাদ্য খাওয়ার এই অভ্যাস চূড়ান্ত সমালোচনার সম্মুখীন হয়েছে নেটিজেনদের কাছে।