গিয়েছিলেন যদি দেখা করা যায়। গিয়েছিলেন তাঁর অস্থায়ী সরকারকে স্থায়ী করার অভিপ্রায় নিয়ে। গিয়েছিলেন দেশের মাটিতে নিজের তলানিতে ঠেকা গ্রহণ যোগ্যতাকে কিছুটা রিলিফ দিতে। কিন্তু মুহম্মদ ইউনুস কে দেখা করার সময়ই দিলেন না ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্ট্র্যামার।

সঞ্জু সুর, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ- একেই বোধ হয় বলে গাঁয় মানে না আপনি মোড়ল। বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহম্মদ ইউনুসের অবস্থা এখন তেমনই হয়েছে। কোনো আমন্ত্রণ বা পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচি ছাড়াই সটান ঠেলে উঠেছেন লন্ডনে। অভিপ্রায় ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ। কিন্তু আগে থেকে কোনো সিডিউল ঠিক করে না আসার জন্য বাংলাদেশের এই ক্ষমতা পিপাসু প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে দেখা করার জন্য কোনো সময়ই দিলেন না ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্ট্র্যামার। লন্ডনের বেশ কিছু সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী এই মুহূর্তে ইউনুসের সঙ্গে দেখা করবেন না বলেই জানা গিয়েছে।


এদিকে মুহম্মদ ইউনুসের লন্ডন সফর খুব একটা সহজ কাটছে না। এমনকি যেদিন ইউনুস হিথরো বিমানবন্দরে নামেন সেদিন তাঁকে ওই বিমানবন্দরেই কালো পতাকা দেখান প্রবাসী বাংলাদেশীরা। এমন কি সেন্ট্রাল লন্ডনের যে হোটেলে ইউনুস উঠেছেন, সেই হোটেলের সামনে জড়ো হয়ে কয়েকশো বাংলাদেশী ইউনুসের বিরুদ্ধে শ্লোগান, সাউটিং পর্যন্ত করেছেন। ‘দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামীদের হত্যাকারী হলো ইউনুস’, ‘খুনী ইউনুস, ফিরে যাও’, এইসব প্ল্যাকার্ড নিয়ে ইউনুসের হোটেলের সামনে বিক্ষোভ দেখাতেও দেখা গিয়েছে।

শোনা যাচ্ছে ইতিমধ্যেই আওয়ামী লীগের ইউকে শাখা, হাউস অফ কমন্স এর স্পীকার, কিংস ফাউন্ডেশন প্রভৃতি সংস্থার পক্ষ থেকে ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটে (ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন) চিঠি দিয়ে মুহম্মদ ইউনুসের সরকারকে স্বীকৃতি না দেওয়ার জন্য দাবি জানানো হয়েছে। জানা গিয়েছে লন্ডনে ইউনুস কে লক্ষ করে পঁচা ডিম ও নাকি ছোঁড়া হয়েছে।