মহা ধুমধামে ত্রিপুরায় পালিত হচ্ছে গণেশ উৎসব

গনেশ পূজোর আয়োজন এবং পূজোকে কেন্দ্র করে ত্রিপুরা রাজ্য জুড়ে জোরদার নিরাপত্তার ব্যবস্থা।

মৌসুমী সাহা , নিজস্ব প্রতিনিধি: ভাদ্র মাসের শুক্ল পক্ষের চতুর্থী তিথিতে পালিত হয় সিদ্ধিদাতা গনেশের পূজো বা গনেশ জয়ন্তী।পুরাণ মতে এ দিনই জন্ম হয়েছিলো মহাদেব ও পার্বতীর সন্তান গনেশের। গনেশ হলেন অগ্রপূজ্য অর্থাৎ সব দেবদেবীদের আগে গনেশের পূজো করার রীতি আছে। পশ্চিম ভারতের মহারাষ্ট্রে গনেশ পূজো হয়ে থাকে। একটা সময় ছিলো যখন ত্রিপুরায় দেবশিল্পী বিশ্বকর্মার পূজো হতো মহা ধুমধাম করে। সে জায়গায় এখন পূজো বাড়ছে সিদ্ধিদাতা গনেশের। ২০১৮ সাল থেকে এখনো পর্যন্ত ছোট বড় মিলিয়ে প্রায় ১০০-র বেশী পূজো অনুষ্ঠিত হয়। পূজোর পাশাপাশি চলে কে কার আগে উদ্বোধন করতে পারে তার প্রতিযোগিতাও। আর সেই পূজোকে কেন্দ্র করে নানান কর্মসূচীরও আয়োজন করেন উদ্যোক্তরা।

এ বছর গনেশ চতুর্থী পরেছে দু দিন ২৬ দুপুর ১ টা ৫৪ মিনিট থেকে এবং ২৭ অগাষ্ট বেলা ৩ টে ৪৪ মিনিট পর্যন্ত।উদয়া তিথি অনুযায়ী গনেশ চতু্র্থী পালিত হবে আগামীকাল।মহারাজগঞ্জ বাজার সব্জি ব্যবসায়ী সমিতির পূজোর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন শান্তিকালী আশ্রমের চিত্ত মহারাজ।২৫ তম বর্ষে পড়ল এই পূজো।বস্ত্র বিতরণেরও আয়োজন করা হয়।

এদিকে গনেশ পূজো উপলক্ষ্যে বিশাল আকারের মন্ডপ, আলোকসজ্জা এবং বিভিন্ন থিমের গনেশ মূর্তি দেখা যায় রাজ্যজুরে ।জনগনের আনন্দও থাকে চোখে পরার মতো।কোথাও কোথাও মেলার ও আয়োজন করেন পূজো উদ্যোক্তারা।এই উপলক্ষ্যে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে ।গনেশ পূজোকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে অতিরিক্ত বাহিনীও মোতায়েন করা হয়েছে ।মোবাইলে নজরদারির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। যান চলাচল স্বাভাবিক রাখার জন্য পূজা আয়োজকদের তাদের নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবক মোতায়েন করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। সবমিলিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে এবং নির্বিঘ্নে যাতে গনেশ পূজো সম্পন্ন হয় তারই তোরজোর লক্ষ্য করতে পারা যাচ্ছে ।