উত্তরবঙ্গ সফরে বিজেপির রাজ্য সভাপতি,শমিকের সঙ্গে বিজেপির পুরো টিম দেখভাল করবে বিপর্যয় পরিস্থিতির

সুচারু মিত্র ( প্রতিনিধি ) দার্জিলিং সহ গোটা উত্তরবঙ্গের বিপর্যয় পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ইতিমধ্যেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।যে ভাবে পার্বত্য এলাকায় একের পর এক ধস নামছে এবং জলের স্রোতে ভেসে যাচ্ছে ঘর-বাড়ি থেকে শুরু করে সবকিছুই তার নিয়ে যথেষ্ট উদ্বেগ জনক পরিস্থিতি বলা যেতে পারে।আর এরই মাঝে একদিকে যখন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উত্তরবঙ্গ সফরে, ঠিক তখনই বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা রাজ্য সভার সাংসদ শমিক ভট্টাচার্য্যও উত্তরবঙ্গ সফরে।

সোমবার থেকে বুধবার পর্যন্ত উত্তরবঙ্গে বিপর্যস্ত এলাকায় কী পরিস্থিতি রয়েছে?.. ক্যাম্প গুলোতে ত্রাণ কার্য পৌঁছোছে কিনা…? কোথায় কোথায় ভয়াবহ পরিস্থিতি রয়েছে?.. পুরো টিম নিয়ে সরেজমিনে নিজে খতিয়ে দেখবেন শমিক ভট্টাচার্য।শমিক ভট্টাচার্যের সঙ্গে সহযোগিতা করবেন শিলিগুড়ির বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ। অন্যদিকে থাকবেন খগেন মুর্মু, দীপক বর্মনের মতো উত্তরবঙ্গ ঘ্যাসা নেতারা।গোটা পরিস্থিতি দেখে সেন্ট্রালকে অর্থাৎ কেন্দ্রকে রিপোর্ট দেবেন শমিক ভট্টাচার্য।

দার্জিলিংএ বিপর্যয় পরিস্থিতির মোকাবিলায় কেন্দ্রের তরফেও আসতে পারে সাহায্য এমনটাই ইঙ্গিত মিলেছে শমিক ভট্টাচার্যের তরফে। একাধিক এলাকা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন , নতুন করে বিভিন্ন এলাকায় ধস নামতে শুরু করেছে।এমন পরিস্থিতিতে একদিকে মুখ্যমন্ত্রী আর অন্য দিকে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমিক ভট্টাচার্য্যের এই সফর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উত্তরবঙ্গের প্রায় ১৭ টি ব্লকের অবস্থা ভয়াবহ রয়েছে, এমনি রিপোর্ট পাওয়া যাচ্ছে। নতুন করে বিপদজনক পরিস্থিতির মধ্যে যেতে পারে আরও ১০ টি ব্লক। এমনটাই আশঙ্কা রয়েছে স্থানীয় প্রশাসনের তরফে।পাহারে এই ধস বা বিপর্যয় পরিস্থিতির জন্য ইতিমধ্যেই অনেকে দায়ী করতে শুরু করেছেন বেআইনি নির্মাণকে।তবে এখন সবকিছুকে দূরে সরিয়ে মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিয়ে আসা এটাই এখন মূল লক্ষ্য। ইতিমধ্যেই উত্তরবঙ্গের এই ঘটনায় ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর পাওয়া গিয়েছে।